সাইফুল আরিফ জুয়েল, নেত্রকোনা

নেত্রকোনার বারহাট্টায় নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে মো. হাবিবুর রহমান (৪১) নামে এক প্রবাসীর নামে মামলা দিয়েছে পুলিশ।
এ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৩০ নভেম্বর বারহাট্টা উপজেলার কদম দেউলি এলাকায় বিস্ফোরকদ্রব্য, ককটেল ও মশাল নিয়ে পুলিশ বক্সে হামলা ও রেললাইনে ক্ষতি সাধনের চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ৯৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে পুলিশ।
তাঁদের মধ্যে বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশিক আহমেদ কমলকে প্রধান আসামি ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীসহ ৬৪ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ ও আরও ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
এ মামলায় ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে মো. হাবিবুর রহমানকে। হাবিবুর রহমান বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত দুখু মিয়ার ছেলে।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, হাবিবুর ১৭ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে থাকেন। হাবিবুর শেষবার ২০২০ সালে দেশে এসেছিলেন। ছয় মাস দেশে ছুটি কাটিয়ে ফের দুবাই চলে যান। এরপর আর দেশে আসেননি। হাবিবুর কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।
হাবিবুরদের ছয় ভাইয়ের মধ্যে পাঁচজনই প্রবাসী। ভাইদের মধ্যে সবার বড় হাবিবুর। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
বিদেশে থাকা হাবিবুরের নামে নাশকতা মামলা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ‘এটি একটি গায়েবি মামলা। বিদেশ থেকে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়া দেশে এসে নাশকতা করে আবার চলে গেলেন কেমনে?’
এ বিষয়ে হাবিবুর রহমানের স্ত্রী জোৎস্না আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী হাবিবুর রহমান ১৭ বছর ধরে দুবাই থাকেন। প্রায় আড়াই বছর আগে শেষবার দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে দুবাই গিয়েছে। বিদেশে থেকে বারহাট্টায় এসে ককটেল ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে নাশকতা করতে গেল কীভাবে? সে তো কোনো রাজনীতিও করে না। তাহলে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তার মামলায় আসল কীভাবে বুঝলাম না। এটি একটি মিথ্যা মামলা।’
বিদেশে থাকা হাবিবুরের নামে নাশকতার মামলা হওয়ার খবর শুনে হতবাক হন তাঁর মা মহিলা খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে দেশেই থাকে না, তাহলে বারহাট্টায় নাশকতা করবে কীভাবে। ১৭ বছর ধরে বিদেশে থাকে। দেশে থাকাকালেও কোনো দেলের রাজনীতি করেনি।’ এমন মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
হাবিবুরের চাচাতো ভাই মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হাবিবুরদের পরিবারের কেউ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তারা ছয় ভাইয়ের পাঁচজনই প্রবাসী। এটি একটি মিথ্যা মনগড়া মামলা।’
বাউসী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আইনুল হক বলেন, ‘হাবিবুর রহমান দুবাই থাকে দীর্ঘ বছর ধরে। কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তার একজন প্রয়াত মামা বিএনপির নেতা ছিলেন। হাবিবুর শেষবার প্রায় আড়াই বছর আগে দেশ থেকে গিয়েছে। দুবাই থাকা অবস্থায় দেশে নাশকতা করা সম্ভব না। মামলা রেকর্ড করার আগে বিষয়টি তদন্ত করা দরকার ছিল।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী বারহাট্টা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল খান মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি শতভাগ সত্য। তবে আসামির বিষয়টি তদন্ত করে পরে বাদ দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ডা. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, ‘বিদেশে থাকা ব্যক্তিকে আসামি করা পুলিশের কাছে এটা তো তেমন কিছু না। এর আগে মৃত মানুষের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছে। মামলা যখন গায়েবি তখন সবকিছুই সম্ভব।’

নেত্রকোনার বারহাট্টায় নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে মো. হাবিবুর রহমান (৪১) নামে এক প্রবাসীর নামে মামলা দিয়েছে পুলিশ।
এ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
গত ৩০ নভেম্বর বারহাট্টা উপজেলার কদম দেউলি এলাকায় বিস্ফোরকদ্রব্য, ককটেল ও মশাল নিয়ে পুলিশ বক্সে হামলা ও রেললাইনে ক্ষতি সাধনের চেষ্টার অভিযোগে বিএনপির ৯৪ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে পুলিশ।
তাঁদের মধ্যে বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশিক আহমেদ কমলকে প্রধান আসামি ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীসহ ৬৪ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ ও আরও ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
এ মামলায় ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে মো. হাবিবুর রহমানকে। হাবিবুর রহমান বারহাট্টা উপজেলার বাউসী ইউনিয়নের রামভদ্রপুর গ্রামের মৃত দুখু মিয়ার ছেলে।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, হাবিবুর ১৭ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে থাকেন। হাবিবুর শেষবার ২০২০ সালে দেশে এসেছিলেন। ছয় মাস দেশে ছুটি কাটিয়ে ফের দুবাই চলে যান। এরপর আর দেশে আসেননি। হাবিবুর কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।
হাবিবুরদের ছয় ভাইয়ের মধ্যে পাঁচজনই প্রবাসী। ভাইদের মধ্যে সবার বড় হাবিবুর। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
বিদেশে থাকা হাবিবুরের নামে নাশকতা মামলা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ‘এটি একটি গায়েবি মামলা। বিদেশ থেকে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়া দেশে এসে নাশকতা করে আবার চলে গেলেন কেমনে?’
এ বিষয়ে হাবিবুর রহমানের স্ত্রী জোৎস্না আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী হাবিবুর রহমান ১৭ বছর ধরে দুবাই থাকেন। প্রায় আড়াই বছর আগে শেষবার দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে দুবাই গিয়েছে। বিদেশে থেকে বারহাট্টায় এসে ককটেল ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে নাশকতা করতে গেল কীভাবে? সে তো কোনো রাজনীতিও করে না। তাহলে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তার মামলায় আসল কীভাবে বুঝলাম না। এটি একটি মিথ্যা মামলা।’
বিদেশে থাকা হাবিবুরের নামে নাশকতার মামলা হওয়ার খবর শুনে হতবাক হন তাঁর মা মহিলা খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে দেশেই থাকে না, তাহলে বারহাট্টায় নাশকতা করবে কীভাবে। ১৭ বছর ধরে বিদেশে থাকে। দেশে থাকাকালেও কোনো দেলের রাজনীতি করেনি।’ এমন মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
হাবিবুরের চাচাতো ভাই মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হাবিবুরদের পরিবারের কেউ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তারা ছয় ভাইয়ের পাঁচজনই প্রবাসী। এটি একটি মিথ্যা মনগড়া মামলা।’
বাউসী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আইনুল হক বলেন, ‘হাবিবুর রহমান দুবাই থাকে দীর্ঘ বছর ধরে। কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তার একজন প্রয়াত মামা বিএনপির নেতা ছিলেন। হাবিবুর শেষবার প্রায় আড়াই বছর আগে দেশ থেকে গিয়েছে। দুবাই থাকা অবস্থায় দেশে নাশকতা করা সম্ভব না। মামলা রেকর্ড করার আগে বিষয়টি তদন্ত করা দরকার ছিল।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী বারহাট্টা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল খান মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ঘটনাটি শতভাগ সত্য। তবে আসামির বিষয়টি তদন্ত করে পরে বাদ দেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ডা. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, ‘বিদেশে থাকা ব্যক্তিকে আসামি করা পুলিশের কাছে এটা তো তেমন কিছু না। এর আগে মৃত মানুষের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছে। মামলা যখন গায়েবি তখন সবকিছুই সম্ভব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে