নেত্রকোনা প্রতিনিধি

সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নেত্রকোনার কেন্দুয়া পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা অঞ্চলের পোস্ট অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসিফ করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. ফরিদ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আদেশের পরদিন পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁর স্থানে মধুভূশন সরকার নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শাহেদুন্নাহার গত বছরের নভেম্বরে কেন্দুয়া উপজেলা পোস্ট অফিসে পোস্ট মাস্টার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি নেত্রকোনা সদর পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন।
বরখাস্তের আদেশ বলা হয়েছে, পোস্ট মাস্টার শাহেদুনাহার সঞ্চয়পত্রের ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত কুপন জালিয়াতিভাবে এবং বাতিল মুনাফা কুপনে ফ্লুইড ব্যবহার করে পুনর্ব্যবহার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি ও সরকারি ডকুমেন্টস ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে ছিঁড়ে ফেলেন। এমনকি ঘটনার তদন্তের সময় তদন্ত টিমের কাছে লিখিত বিবৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তকাজে অসহযোগিতা ও ব্যাঘাত সৃষ্টি করেন। অসদাচরণ ও আত্মসাতের ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহার গত বছরের নভেম্বরে নেত্রকোনা সদর থেকে কেন্দুয়া উপজেলা পোস্ট অফিসে যোগদান করেন। তবে বদলি হওয়ায় সময় সদর অফিস থেকে এক নারীর পুরোনো সঞ্চয়পত্রের কুপন সঙ্গে নিয়ে যান। যে সঞ্চয়পত্রের টাকা ২০১৭ সালেই ওই নারী তুলে নিয়েছেন। কেন্দুয়ায় গিয়ে ওই ভাঙানো সঞ্চয়পত্রে থাকা লাল কালি দ্বারা ক্রস চিহ্ন ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলেন শাহেদুন্নাহার। পরে পুনরায় সেই সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন তিনি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণাদি তিনি ছিঁড়ে ফেলেন।
বিষয়টি ডাক বিভাগের নজরে এলে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ। ময়মনসিংহ ডাক বিভাগের সুপারিন্টেন্ডেন্ট রিপন রায়কে প্রধান করে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি করা হয়। এ কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন ময়মনসিংহ ডাক বিভাগের পরিদর্শক পলাশ চন্দ্র ধর ও নেত্রকোনার পোস্ট অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসেফ করিম। এদিকে তদন্তকালে কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন শাহেদুন্নাহার।
ওই কমিটি তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পায়। তাদের প্রতিবেদন পেয়ে কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. ফরিদ আহমেদ অভিযুক্ত পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
এ বিষয়ে জানতে বরখাস্ত করা পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করে কেটে দেন।
অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসিফ করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নেত্রকোনার কেন্দুয়া পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা অঞ্চলের পোস্ট অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসিফ করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রোববার কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. ফরিদ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আদেশের পরদিন পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁর স্থানে মধুভূশন সরকার নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শাহেদুন্নাহার গত বছরের নভেম্বরে কেন্দুয়া উপজেলা পোস্ট অফিসে পোস্ট মাস্টার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি নেত্রকোনা সদর পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন।
বরখাস্তের আদেশ বলা হয়েছে, পোস্ট মাস্টার শাহেদুনাহার সঞ্চয়পত্রের ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত কুপন জালিয়াতিভাবে এবং বাতিল মুনাফা কুপনে ফ্লুইড ব্যবহার করে পুনর্ব্যবহার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি ও সরকারি ডকুমেন্টস ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে ছিঁড়ে ফেলেন। এমনকি ঘটনার তদন্তের সময় তদন্ত টিমের কাছে লিখিত বিবৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তকাজে অসহযোগিতা ও ব্যাঘাত সৃষ্টি করেন। অসদাচরণ ও আত্মসাতের ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহার গত বছরের নভেম্বরে নেত্রকোনা সদর থেকে কেন্দুয়া উপজেলা পোস্ট অফিসে যোগদান করেন। তবে বদলি হওয়ায় সময় সদর অফিস থেকে এক নারীর পুরোনো সঞ্চয়পত্রের কুপন সঙ্গে নিয়ে যান। যে সঞ্চয়পত্রের টাকা ২০১৭ সালেই ওই নারী তুলে নিয়েছেন। কেন্দুয়ায় গিয়ে ওই ভাঙানো সঞ্চয়পত্রে থাকা লাল কালি দ্বারা ক্রস চিহ্ন ফ্লুইড দিয়ে মুছে ফেলেন শাহেদুন্নাহার। পরে পুনরায় সেই সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন তিনি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণাদি তিনি ছিঁড়ে ফেলেন।
বিষয়টি ডাক বিভাগের নজরে এলে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ। ময়মনসিংহ ডাক বিভাগের সুপারিন্টেন্ডেন্ট রিপন রায়কে প্রধান করে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি করা হয়। এ কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন ময়মনসিংহ ডাক বিভাগের পরিদর্শক পলাশ চন্দ্র ধর ও নেত্রকোনার পোস্ট অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসেফ করিম। এদিকে তদন্তকালে কমিটির সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন শাহেদুন্নাহার।
ওই কমিটি তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পায়। তাদের প্রতিবেদন পেয়ে কেন্দ্রীয় সার্কেলের পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. ফরিদ আহমেদ অভিযুক্ত পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
এ বিষয়ে জানতে বরখাস্ত করা পোস্ট মাস্টার শাহেদুন্নাহারকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করে কেটে দেন।
অফিস পরিদর্শক আবু হেনা মোনাসিফ করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আরও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে