দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হল বাবার মরদেহ। আর এদিকে জানাজার আগেই ১৭ দিনের শিশুকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে রওনা হলেন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রের বাইরে আত্মীয়ের কাছে শিশুটিকে রেখে বাবা হারা নাজমা বুক ভরা বেদনা ও কান্না নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
আজ শনিবার নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় গুজিরকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা দেন নাজমা বেগম। তিনি উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের নাগেরগাতী গ্রামের নবারুন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
পরীক্ষা কেন্দ্রে সহপাঠীদের নাজমা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, তার বাবা আর নেই। বাবা আর কখনোই তাকে মা বলে ডাকবে না। বাবার এভাবে চলে যাওয়া তাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে।
চন্দ্রিগড় ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার মো. ফরিদ মিয়া জানান, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নাজমার বাবা ও বনগাঁও গ্রামের নিবাসী নুরুল হক মীর (৫৬) স্ট্রোক করে মারা যান। সকাল ১০টার দিকে মরদেহ জানাজার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এর আগেই মেয়েটি ১৭ দিনের শিশুকে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে চলে যায়। জানাজা শেষে বেলা ১১টার দিকে মৃতের দাফন সম্পন্ন হয়।
মো. ফরিদ মিয়া আরও জানান, গত এক বছর আগে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলমাকান্দার নাজিরপুর ইউনিয়নে বড়ইউন্দে এলাকায় বিয়ে হয় নাজমার। তার স্বামীর বড়ইউন্দ বাজারে চা-স্টলের দোকান রয়েছে।
নবারুন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অশোক কুমার ভাদুড়ি বলেন, ‘আমার স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিল নাজমা। মেধাবী এই ছাত্রী বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে হারানো কষ্ট বুকে চেপে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।’
গুজিরকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুধন কুমার জানান, দুর্গাপুরের মূল পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালনে আসার আগের মেয়েটিকে কান্না জড়িত চোখে পরীক্ষার কেন্দ্রে দেখে এসেছি। বাবার জানাজার আগেই মেয়েটি পরীক্ষা দিতে এসেছে। ১৭ দিনের শিশুকে কোলে নিয়ে তার এক আত্মীয় কেন্দ্রের বাইরে ছিল।
অন্যান্য খবর পড়ুন:

জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হল বাবার মরদেহ। আর এদিকে জানাজার আগেই ১৭ দিনের শিশুকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে রওনা হলেন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রের বাইরে আত্মীয়ের কাছে শিশুটিকে রেখে বাবা হারা নাজমা বুক ভরা বেদনা ও কান্না নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
আজ শনিবার নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় গুজিরকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা দেন নাজমা বেগম। তিনি উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের নাগেরগাতী গ্রামের নবারুন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
পরীক্ষা কেন্দ্রে সহপাঠীদের নাজমা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, তার বাবা আর নেই। বাবা আর কখনোই তাকে মা বলে ডাকবে না। বাবার এভাবে চলে যাওয়া তাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে।
চন্দ্রিগড় ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার মো. ফরিদ মিয়া জানান, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নাজমার বাবা ও বনগাঁও গ্রামের নিবাসী নুরুল হক মীর (৫৬) স্ট্রোক করে মারা যান। সকাল ১০টার দিকে মরদেহ জানাজার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এর আগেই মেয়েটি ১৭ দিনের শিশুকে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে চলে যায়। জানাজা শেষে বেলা ১১টার দিকে মৃতের দাফন সম্পন্ন হয়।
মো. ফরিদ মিয়া আরও জানান, গত এক বছর আগে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলমাকান্দার নাজিরপুর ইউনিয়নে বড়ইউন্দে এলাকায় বিয়ে হয় নাজমার। তার স্বামীর বড়ইউন্দ বাজারে চা-স্টলের দোকান রয়েছে।
নবারুন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অশোক কুমার ভাদুড়ি বলেন, ‘আমার স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিল নাজমা। মেধাবী এই ছাত্রী বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে হারানো কষ্ট বুকে চেপে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।’
গুজিরকোনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুধন কুমার জানান, দুর্গাপুরের মূল পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালনে আসার আগের মেয়েটিকে কান্না জড়িত চোখে পরীক্ষার কেন্দ্রে দেখে এসেছি। বাবার জানাজার আগেই মেয়েটি পরীক্ষা দিতে এসেছে। ১৭ দিনের শিশুকে কোলে নিয়ে তার এক আত্মীয় কেন্দ্রের বাইরে ছিল।
অন্যান্য খবর পড়ুন:

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে