Ajker Patrika

নেত্রকোনায় ওএমএসের ৫০০০ কেজি চাল জব্দ, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২: ১৮
নেত্রকোনায় ওএমএসের ৫০০০ কেজি চাল জব্দ, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
মদন থানা। ছবি: আজকের পত্রিকা

নেত্রকোনার মদনে ভোক্তাদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা ওএমএসের (ওপেন মার্কেট সেল) ৫ হাজার কেজি চাল কালোবাজারে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে আটক দুজনকে নেত্রকোনা আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন মদন উপজেলার দেওসহিলা গ্রামের আবু কালামের ছেলে মাসুম মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে আকারুল্লাহ (২৪)।

মামলার এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন ওএমএস ডিলার, মদন উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, তাঁর সহযোগী কবির তালুকদার ও আব্দুল করিম। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর দলীয় পদে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী একজন ওএমএস ডিলার। তাঁর গুদামে থাকা সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি ট্রলিতে করে ফতেপুর বাজার থেকে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে অভিযান চালায় পুলিশ।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাকা সড়ক থেকে দুটি হ্যান্ডট্রলি আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে প্রতিটি ৫০ কেজি ওজনের ১০০ বস্তায় মোট ৫ হাজার কেজি চাল উদ্ধার করা হয়।

এ সময় খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ও লেখা সংবলিত ১৩৫টি খালি পাটের বস্তা এবং চাল পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি সবুজ রঙের ট্রলিও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় সরকারি চাল কালোবাজারির উদ্দেশ্যে মজুত, পরিবহন ও পাচারের চেষ্টার অভিযোগে আটক দুজনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫ (১) ও ২৫ (ডি) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে মামলা করা হয়েছে। আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত