সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের সিংড়ায় নলডাঙার ইউএনওর গাড়িচাপায় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ ওরফে জীবন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুনকে কমিটির প্রধান করে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এম সামিরুল ইসলাম ও নাটোরের বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রাশেদুজ্জামানকে সদস্য করে এই কমিটি করা হয়। তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ।
নলডাঙ্গা ইউএনওর গাড়ির নিচে চাপা পড়ে সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবন নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত কোনো এজাহার পাননি।
এ বিষয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারসহ স্থানীয় সাংবাদিক মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ দোষী ব্যক্তির শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এদিকে পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবনের স্ত্রী জনি খাতুন। দুটি শিশুসন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি। তাঁর স্বামীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। নিহত সোহেল আহমেদ জীবন উপজেলার শেরকোল আগপাড়া বন্দর উচ্চবিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দুরন্ত সংবাদে সিংড়া প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।
নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘গাড়ির চালক কে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে কেন সেখানে যাওয়া হয়েছিল, চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলাচ্ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবনের মরদেহ তাঁর বালুয়া বাসুয়ার বাড়িতে নেওয়া হলে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে বাদ এশা দমদমা আল জামেতুল কোরআনিয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে কবরস্থানে তাঁর দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়ার নিংগইন এলাকায় নলডাঙ্গা ইউএনওর সরকারি গাড়ির নিচে চাপা পড়ে স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবন নিহত হয়। সাংবাদিক সোহেল আহমেদের মোটরসাইকেলে করে তাঁর কর্মস্থল সিংড়া উপজেলার শেরকোল আগপাড়া বন্দর উচ্চবিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর মোটরসাইকেলটি সরকারি গাড়ির নিচে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পর ইউএনওর গাড়িটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

নাটোরের সিংড়ায় নলডাঙার ইউএনওর গাড়িচাপায় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ ওরফে জীবন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুনকে কমিটির প্রধান করে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. এম সামিরুল ইসলাম ও নাটোরের বিআরটিএর সহকারী পরিচালক রাশেদুজ্জামানকে সদস্য করে এই কমিটি করা হয়। তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ।
নলডাঙ্গা ইউএনওর গাড়ির নিচে চাপা পড়ে সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবন নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর-ই আলম সিদ্দিকী বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত কোনো এজাহার পাননি।
এ বিষয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারসহ স্থানীয় সাংবাদিক মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ দোষী ব্যক্তির শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এদিকে পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবনের স্ত্রী জনি খাতুন। দুটি শিশুসন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি। তাঁর স্বামীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। নিহত সোহেল আহমেদ জীবন উপজেলার শেরকোল আগপাড়া বন্দর উচ্চবিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দুরন্ত সংবাদে সিংড়া প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।
নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘গাড়ির চালক কে ছিলেন, সরকারি গাড়ি নিয়ে কেন সেখানে যাওয়া হয়েছিল, চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চলাচ্ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবনের মরদেহ তাঁর বালুয়া বাসুয়ার বাড়িতে নেওয়া হলে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে বাদ এশা দমদমা আল জামেতুল কোরআনিয়া মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে কবরস্থানে তাঁর দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়ার নিংগইন এলাকায় নলডাঙ্গা ইউএনওর সরকারি গাড়ির নিচে চাপা পড়ে স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল আহমেদ জীবন নিহত হয়। সাংবাদিক সোহেল আহমেদের মোটরসাইকেলে করে তাঁর কর্মস্থল সিংড়া উপজেলার শেরকোল আগপাড়া বন্দর উচ্চবিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর মোটরসাইকেলটি সরকারি গাড়ির নিচে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে প্রায় এক ঘণ্টা পর ইউএনওর গাড়িটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে