নাটোর প্রতিনিধি

ট্রেনটি দেখে মনে হবে যেন ঈদযাত্রায় মানুষজন। ঈদে যেমন ঘরমুখো মানুষের প্রচণ্ড চাপ দেখা যায়, তেমনি ভেতরে যাত্রীতে পরিপূর্ণ ট্রেনের ছাদে চেপেও বাড়িমুখো দৃশ্য দেখা গেল আরেকবার। আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নাটোর থেকে বিশেষ ট্রেনে যাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা।
ট্রেনের ভেতরে আসন পরিপূর্ণ হওয়ায় নেতা-কর্মীরা উঠেছেন ছাদেও। ইঞ্জিনের সামনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়াতে দেখা গেছে তাঁদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে নেতা-কর্মীরা ট্রেনে চেপে, ঝুলে ও দাঁড়িয়ে জনসভায় ছুটছেন।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ ট্রেনটি নলডাঙ্গা মাধনগর, নলডাঙ্গা স্টেশন হয়ে নাটোর রেলস্টেশনে এসে থামে। প্রায় ৫ মিনিট স্টেশনে ট্রেনটি অবস্থান করে।
এ সময় স্টেশনে অপেক্ষায় থাকা শতশত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ট্রেনে উঠতে শুরু করেন। বিশেষ ট্রেনটি দেখার জন্য বহু উৎসুক মানুষও অপেক্ষা করছিলেন স্টেশনে।
নাটোর রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নাটোর থেকে সাতটি বগি নিয়ে স্পেশাল একটি ট্রেন মাধনগর রেলস্টেশন থেকে নলডাঙ্গা স্টেশন, বাসুদেবপুর স্টেশন, নাটোর স্টেশন, মালঞ্চি স্টেশন ও আব্দুলপুর রেলস্টেশন হয়ে রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করে।
আব্দুল গণি মিয়া নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের প্রাণের নেত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীতে আসছেন। নেত্রীকে এক পলক দেখতে রাজশাহী যাচ্ছি। হয়তো তাঁকে কাছে থেকে দেখতে পারব না, তবে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য শুনব নিশ্চয়ই।’
আতাউর রহমান নামে আরেক কর্মী বলেন, ‘ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড়, পা ফেলার জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে যাচ্ছি। নেত্রীকে একবার দেখার পর সব কষ্ট আর ক্লান্তি চলে যাবে।’
শফিকুল ইসলাম নামে নাটোরের এক যুবলীগ কর্মী আকজের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেক আনন্দ লাগছে, সব নেতা-কর্মী এক সাথে যাচ্ছি। আমরা আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে নিরলসভাবে কাজ করব।’
নলডাঙ্গা থেকে আসা ৮০ বছরের বৃদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মী লিয়াকত প্রামাণিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী জনসভা সফল করতে আমরা নেতা-কর্মী সবাই একত্রে ট্রেনে যাচ্ছি। জীবনে প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে দেখবে। কাছ থেকে তাঁর ভাষণ শুনতে যাচ্ছি। কখনো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে দেখা হয়নি। আজ নিজ চোখে নেত্রীকে এক পলক দেখব।’
নাটোর রেলস্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার কামরুন নাহার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাধারণত ঈদে প্রচুর যাত্রীর চাপ সামলাতে হয়। অনেক সময় শৃঙ্খলা থাকে না। এবার চাপ একই রকম হলেও শৃঙ্খলা রয়েছে। তবে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে যাচ্ছেন। আমরা এমন বিপজ্জনক যাত্রা নিরুৎসাহিত করলেও তারা শুনছেন না।’
কামরুন নাহার আরও বলেন, ‘রেল কর্তৃপক্ষ ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২৪ টাকায় একটি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দিয়েছে। আজ ঢাকা-রাজশাহী চলাচলকারী আন্তনগর সিল্কসিটি ট্রেনটি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ওই ট্রেন বিশেষ ট্রেন হিসেবে চলাচল করছে। ট্রেনটি চলাচলে অন্য ট্রেনের সময়সূচিতে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। বিশেষ ট্রেনটি রাজশাহী থেকে বিকেল সাড়ে ৫টায় ফেরার কথা রয়েছে।’
এদিকে রোববার ভোর থেকেই জেলার সাত উপজেলা ও আট পৌরসভা থেকে শত শত বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলারসহ ছোট-বড় যান রাজশাহী অভিমুখে চলাচল করছে। এতে করে রাজশাহী শহরে চিকিৎসাসহ জরুরি কাজে যাওয়া সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। এদিন সকাল থেকেই দুর্ভোগে পড়েন অনেক যাত্রী।

ট্রেনটি দেখে মনে হবে যেন ঈদযাত্রায় মানুষজন। ঈদে যেমন ঘরমুখো মানুষের প্রচণ্ড চাপ দেখা যায়, তেমনি ভেতরে যাত্রীতে পরিপূর্ণ ট্রেনের ছাদে চেপেও বাড়িমুখো দৃশ্য দেখা গেল আরেকবার। আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নাটোর থেকে বিশেষ ট্রেনে যাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা।
ট্রেনের ভেতরে আসন পরিপূর্ণ হওয়ায় নেতা-কর্মীরা উঠেছেন ছাদেও। ইঞ্জিনের সামনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়াতে দেখা গেছে তাঁদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে নেতা-কর্মীরা ট্রেনে চেপে, ঝুলে ও দাঁড়িয়ে জনসভায় ছুটছেন।
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ ট্রেনটি নলডাঙ্গা মাধনগর, নলডাঙ্গা স্টেশন হয়ে নাটোর রেলস্টেশনে এসে থামে। প্রায় ৫ মিনিট স্টেশনে ট্রেনটি অবস্থান করে।
এ সময় স্টেশনে অপেক্ষায় থাকা শতশত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ট্রেনে উঠতে শুরু করেন। বিশেষ ট্রেনটি দেখার জন্য বহু উৎসুক মানুষও অপেক্ষা করছিলেন স্টেশনে।
নাটোর রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে নাটোর থেকে সাতটি বগি নিয়ে স্পেশাল একটি ট্রেন মাধনগর রেলস্টেশন থেকে নলডাঙ্গা স্টেশন, বাসুদেবপুর স্টেশন, নাটোর স্টেশন, মালঞ্চি স্টেশন ও আব্দুলপুর রেলস্টেশন হয়ে রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করে।
আব্দুল গণি মিয়া নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের প্রাণের নেত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীতে আসছেন। নেত্রীকে এক পলক দেখতে রাজশাহী যাচ্ছি। হয়তো তাঁকে কাছে থেকে দেখতে পারব না, তবে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য শুনব নিশ্চয়ই।’
আতাউর রহমান নামে আরেক কর্মী বলেন, ‘ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড়, পা ফেলার জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে যাচ্ছি। নেত্রীকে একবার দেখার পর সব কষ্ট আর ক্লান্তি চলে যাবে।’
শফিকুল ইসলাম নামে নাটোরের এক যুবলীগ কর্মী আকজের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেক আনন্দ লাগছে, সব নেতা-কর্মী এক সাথে যাচ্ছি। আমরা আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে নিরলসভাবে কাজ করব।’
নলডাঙ্গা থেকে আসা ৮০ বছরের বৃদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মী লিয়াকত প্রামাণিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী জনসভা সফল করতে আমরা নেতা-কর্মী সবাই একত্রে ট্রেনে যাচ্ছি। জীবনে প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে দেখবে। কাছ থেকে তাঁর ভাষণ শুনতে যাচ্ছি। কখনো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে দেখা হয়নি। আজ নিজ চোখে নেত্রীকে এক পলক দেখব।’
নাটোর রেলস্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার কামরুন নাহার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাধারণত ঈদে প্রচুর যাত্রীর চাপ সামলাতে হয়। অনেক সময় শৃঙ্খলা থাকে না। এবার চাপ একই রকম হলেও শৃঙ্খলা রয়েছে। তবে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে যাচ্ছেন। আমরা এমন বিপজ্জনক যাত্রা নিরুৎসাহিত করলেও তারা শুনছেন না।’
কামরুন নাহার আরও বলেন, ‘রেল কর্তৃপক্ষ ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২৪ টাকায় একটি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ দিয়েছে। আজ ঢাকা-রাজশাহী চলাচলকারী আন্তনগর সিল্কসিটি ট্রেনটি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ওই ট্রেন বিশেষ ট্রেন হিসেবে চলাচল করছে। ট্রেনটি চলাচলে অন্য ট্রেনের সময়সূচিতে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। বিশেষ ট্রেনটি রাজশাহী থেকে বিকেল সাড়ে ৫টায় ফেরার কথা রয়েছে।’
এদিকে রোববার ভোর থেকেই জেলার সাত উপজেলা ও আট পৌরসভা থেকে শত শত বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলারসহ ছোট-বড় যান রাজশাহী অভিমুখে চলাচল করছে। এতে করে রাজশাহী শহরে চিকিৎসাসহ জরুরি কাজে যাওয়া সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। এদিন সকাল থেকেই দুর্ভোগে পড়েন অনেক যাত্রী।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে