গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

রাখি মণ্ডল। বয়স প্রায় ১০৭ বছর অতিক্রম করেছে। স্বামী রিকাত মণ্ডল অনেক আগেই মৃত্যু বরণ করেছেন। রাখি মণ্ডল এখন শ্রবণ শক্তিও হারিয়েছেন। দুই সন্তানের অযত্ন অবহেলায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন তিনি। আশ্রয় হয়েছে নিজ বাড়ির একটি ভাঙা ঝুপড়ি ঘরে। অথচ দুই ছেলে থাকেন দালান কোঠায়। এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের দাদুয়া গ্রামে।
রাখি মণ্ডল ও তার স্বামী মৃত-রিকাত মণ্ডল এক সময় জীবনের সবটুকু শ্রম দিয়েছেন পরিবারের জন্য। করেছিলেন নিজস্ব কিছু জমিও। অথচ বৃদ্ধ বয়সে স্যাঁতসেঁতে পাঁচ হাতের মধ্যে তৈরি একটি পাট কাঠির ঝুপড়ি ঘরে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
সরেজমিন আজ বুধবার রাত ৮ দিকে গিয়ে দেখাযায় ও স্থানীয়রা জানান, দুই ছেলে রয়েছে রাখি মণ্ডলের। বড় ছেলে আনছার মণ্ডল (৪৫) ও ছোট ছেলে ছামছু মণ্ডল (৪০)। তাঁদেরও ছেলে মেয়ে হয়েছে। সবাইকেই বিয়ে দিয়ে নিজ বাড়িতে দালান কোঠায় রেখেছেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তায় কঠোর পরিশ্রম করে গড়েছিলেন চাষাবাদ করার জন্য কিছু জমি ও বসত ভিটা। অনেক কষ্ট করে দুই সন্তানকে বড় করেছিলেন। অথচ সেই সন্তানরাই এখন তাকে অযত্ন অবহেলায় ফেলে রেখেছে। দেখার যেন কেউ নেই। পাঁচ হাতের মধ্যে পাটকাঠি দিয়ে তৈরি একটি কাঁচা ঘরে একটি থালা, কলসি, গ্লাস ও মাটিতে ভেজা রয়েছে বিছানা। খাওয়া দাওয়া সবকিছু ওই টুকু জায়গার মধ্যেই করতে হয় তাঁকে।
এ বিষয়ে রাখি মণ্ডলের বড় ছেলে আনছার মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, তার মা অসুস্থ। ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারে না। বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। তারপরও অনেক বয়স হয়ে গেছে। তাই ঝুপড়ি ঘরে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধারাবড়িষা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ করে নাই।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন বলেন, আপনার কাছ থেকে ঘটনা শুনলাম, এটা মানবিক ব্যাপার খোঁজ খবর নিয়ে, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রাখি মণ্ডল। বয়স প্রায় ১০৭ বছর অতিক্রম করেছে। স্বামী রিকাত মণ্ডল অনেক আগেই মৃত্যু বরণ করেছেন। রাখি মণ্ডল এখন শ্রবণ শক্তিও হারিয়েছেন। দুই সন্তানের অযত্ন অবহেলায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন তিনি। আশ্রয় হয়েছে নিজ বাড়ির একটি ভাঙা ঝুপড়ি ঘরে। অথচ দুই ছেলে থাকেন দালান কোঠায়। এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের দাদুয়া গ্রামে।
রাখি মণ্ডল ও তার স্বামী মৃত-রিকাত মণ্ডল এক সময় জীবনের সবটুকু শ্রম দিয়েছেন পরিবারের জন্য। করেছিলেন নিজস্ব কিছু জমিও। অথচ বৃদ্ধ বয়সে স্যাঁতসেঁতে পাঁচ হাতের মধ্যে তৈরি একটি পাট কাঠির ঝুপড়ি ঘরে জীবন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
সরেজমিন আজ বুধবার রাত ৮ দিকে গিয়ে দেখাযায় ও স্থানীয়রা জানান, দুই ছেলে রয়েছে রাখি মণ্ডলের। বড় ছেলে আনছার মণ্ডল (৪৫) ও ছোট ছেলে ছামছু মণ্ডল (৪০)। তাঁদেরও ছেলে মেয়ে হয়েছে। সবাইকেই বিয়ে দিয়ে নিজ বাড়িতে দালান কোঠায় রেখেছেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তায় কঠোর পরিশ্রম করে গড়েছিলেন চাষাবাদ করার জন্য কিছু জমি ও বসত ভিটা। অনেক কষ্ট করে দুই সন্তানকে বড় করেছিলেন। অথচ সেই সন্তানরাই এখন তাকে অযত্ন অবহেলায় ফেলে রেখেছে। দেখার যেন কেউ নেই। পাঁচ হাতের মধ্যে পাটকাঠি দিয়ে তৈরি একটি কাঁচা ঘরে একটি থালা, কলসি, গ্লাস ও মাটিতে ভেজা রয়েছে বিছানা। খাওয়া দাওয়া সবকিছু ওই টুকু জায়গার মধ্যেই করতে হয় তাঁকে।
এ বিষয়ে রাখি মণ্ডলের বড় ছেলে আনছার মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, তার মা অসুস্থ। ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারে না। বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। তারপরও অনেক বয়স হয়ে গেছে। তাই ঝুপড়ি ঘরে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধারাবড়িষা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ করে নাই।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন বলেন, আপনার কাছ থেকে ঘটনা শুনলাম, এটা মানবিক ব্যাপার খোঁজ খবর নিয়ে, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে