Ajker Patrika

গুরুদাসপুর পৌরসভা: ড্রেন নির্মাণে ধীরগতি বাসিন্দাদের দুর্ভোগ

  • সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় ১০০ পরিবারের দুর্ভোগ।
  • ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিধি মেনে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ।
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
গুরুদাসপুর পৌরসভা: ড্রেন নির্মাণে ধীরগতি বাসিন্দাদের দুর্ভোগ
গুরুদাসপুর পৌরসভার আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজে ধীরগতি। ছবি: আজকের পত্রিকা

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ধীর গতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দিয়েও কাজ শেষ করাতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় অন্তত ১০০ পরিবার দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের গেট থেকে সুফিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ২০৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি ড্রেন ও স্ল্যাব নির্মাণের বরাদ্দ রয়েছে ৪৭ লাখ টাকা। স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিনথিয়া আলামিন আনিসুর নামের একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। তবে কাজটি বাস্তবায়ন করছেন সেলিম শাহ নামের এক ব্যক্তি। তিনি ছাত্রদলের সাবেক নেতা।

গত ১০ মার্চ সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ এবং পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ৬ মাস (১২০ দিন)। সে অনুযায়ী আগামী ১০ আগস্ট নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।

পৌর প্রকৌশল অধিদপ্তর বলছে, উদ্বোধনের পর থেকে ১৩০ মিটার পর্যন্ত ড্রেন ও স্ল্যাব নির্মাণের কাজ ভালোভাবেই শেষ হয়। এ কাজের বিলও দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু মাঝপথে এসে ৭৩ মিটার কাজে নিম্নমানের পাথর ও রড বসানোর কারসাজি শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বাধ্য হয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দুই দফায় (২১ এপ্রিল ও ২৬ জুন) বিধি মোতাবেক কাজ করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২৬ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিডিউল মোতাবেক কাজটি শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে। প্রতিশ্রুতির পর কাজ শুরু হলেও ঢালাইয়ে নিম্নমানের পাথর এবং ১২ মিলিমিটার রডের সঙ্গে ৮ মিলিমিটারের রড ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিধি মেনে নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সেলিম শাহ জানান, তারা দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন।

পৌরসভার প্রশাসক ফাহমিদা আফরোজ জানান, এটি দাতা সংস্থার কাজ। স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তিনি। এ কারণে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত