নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের সিংড়ায় নকল স্বর্ণমূর্তি বিক্রির প্রতারক চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নকল স্বর্ণের একটি মূর্তি, সিম কার্ডসহ ৯টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-মো. মন্টু (৪০), মো. মুকুল (৪৪) ও মো. শফিকুল (৩০), মোহাম্মদ আলী (৪০), মো. জাহিদুল ইসলাম (৫৫), মো. রজিম আহম্মেদ (২২) এবং মো. আনোয়ার হোসেন (৩৮)। আজ সোমবার দুপুরে নাটোর র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন এসব তথ্য জানান। এর আগে রোববার রাতে সিংড়া উপজেলার পিপুলশন দড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা মানুষের কাছে স্বর্ণ মূর্তি বলে নকল মূর্তি বিক্রয় করত। কিছুদিন আগে তারিকুল ইসলাম নামের লালপুরের এক ব্যক্তির কাছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় স্বর্ণের মূর্তি বলে একটি নকল মূর্তি বিক্রি করেন। পরে তিনি পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন মূর্তিটি নকল। টাকা ফেরত চাইলে গতকাল রোববার বিকেলে প্রতারক চক্রের সদস্যরা তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তিনি জীবন রক্ষার্থে সেখান থেকে পালিয়ে সিংড়া জামতলা বাজারে এসে র্যাবের টহল দলকে দেখতে পান এবং বিষয়টি তাঁদের জানান।
র্যাব তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘গতকাল রোববার রাতে উপজেলার দড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নকল স্বর্ণের মূর্তি বিক্রির সঙ্গে জড়িত প্রতারক চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নকল স্বর্ণের একটি মূর্তি ও সিম কার্ডসহ ৯টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। আটকের পর স্থানীয়দের সামনে তাঁরা স্বীকার করেন যে, মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে রং করা পুতুলকে স্বর্ণের পুতুল বলে বিক্রি করে তাঁরা মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন তাঁরা। পরে সিংড়া থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করা হয়।

নাটোরের সিংড়ায় নকল স্বর্ণমূর্তি বিক্রির প্রতারক চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নকল স্বর্ণের একটি মূর্তি, সিম কার্ডসহ ৯টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-মো. মন্টু (৪০), মো. মুকুল (৪৪) ও মো. শফিকুল (৩০), মোহাম্মদ আলী (৪০), মো. জাহিদুল ইসলাম (৫৫), মো. রজিম আহম্মেদ (২২) এবং মো. আনোয়ার হোসেন (৩৮)। আজ সোমবার দুপুরে নাটোর র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন এসব তথ্য জানান। এর আগে রোববার রাতে সিংড়া উপজেলার পিপুলশন দড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা মানুষের কাছে স্বর্ণ মূর্তি বলে নকল মূর্তি বিক্রয় করত। কিছুদিন আগে তারিকুল ইসলাম নামের লালপুরের এক ব্যক্তির কাছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় স্বর্ণের মূর্তি বলে একটি নকল মূর্তি বিক্রি করেন। পরে তিনি পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন মূর্তিটি নকল। টাকা ফেরত চাইলে গতকাল রোববার বিকেলে প্রতারক চক্রের সদস্যরা তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তিনি জীবন রক্ষার্থে সেখান থেকে পালিয়ে সিংড়া জামতলা বাজারে এসে র্যাবের টহল দলকে দেখতে পান এবং বিষয়টি তাঁদের জানান।
র্যাব তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘গতকাল রোববার রাতে উপজেলার দড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নকল স্বর্ণের মূর্তি বিক্রির সঙ্গে জড়িত প্রতারক চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নকল স্বর্ণের একটি মূর্তি ও সিম কার্ডসহ ৯টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। আটকের পর স্থানীয়দের সামনে তাঁরা স্বীকার করেন যে, মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে রং করা পুতুলকে স্বর্ণের পুতুল বলে বিক্রি করে তাঁরা মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন তাঁরা। পরে সিংড়া থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করা হয়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে