
নরসিংদীর শিবপুরে নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ঘর থেকে সায়মা জাহান নামে ৮ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার যোশর গ্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন মিয়া। নিহত সায়মা উপজেলার যোশর ইউনিয়নের যোশর মুন্সিবাড়ী এলাকার সারোয়ার জাহানের মেয়ে। সে পাশের চর মরজাল মডেল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সায়মা জাহান। এদিকে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেলেও ঘরে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কোথাও তাঁর সন্ধান না পেয়ে পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া হানিফা মিয়ার শিশুসন্তানকে জিজ্ঞেস করলে সায়মা তাদের ঘরে আছে বলে জানায়। পরে প্রতিবেশী আজিম উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া হানিফা মিয়ার ঘরে তল্লাশি চালিয়ে আলমারিতে বস্তাবন্দী অবস্থায় সায়মা জাহানের মরদেহ পাওয়া যায়। এ সময় ভাড়াটিয়া হানিফা মিয়া ও তার স্ত্রী শেলী বেগমকে আটক করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শিবপুর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশু সায়মার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত শিশুর স্বজনেরা বলছে, সায়মা জাহানের কানে স্বর্ণের দুটি দুল ছিল। ওই দুল দুটি নিতে গিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন মিয়া বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত হানিফা ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তবে কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি।’

গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকায় দুটি বাসের চাকা পিছলে যায়। এ সময় নৌবাহিনীর বাসটির পেছনের অংশের সঙ্গে সৌদিয়া পরিবহনের বাসের সামনে অংশে ধাক্কা লাগে। এতে দুটি বাসের কিছু অংশের ক্ষতি হয়। দুটি বাসে চারজন যাত্রী থাকলেও কেউ হতাহত হয়নি।
৪৩ মিনিট আগে
গুলি ছুড়তে ছুড়তে বাড়ির বারান্দায় জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে সুমন। একই সঙ্গে সুমনকে গালাগালি করতে শোনা যায়। তবে গুলি করার সময় যুবদল নেতা আবদুস ছাত্তার বাড়িতে ছিলেন কি না সেটা নিশ্চিত হওয়ায় যায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি সড়ক দুর্ঘটনা—সে বিষয়ে তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরিচয় শনাক্তে পিবিআই ও সিআইডিকে অবহিত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে