নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নরসিংদী রেলস্টেশনে পোশাকের কারণে এক তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে থাকা মার্জিয়া আক্তার ওরফে শিলা (৬০) গতকাল ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন। জামিন আদেশের পাশাপাশি আদালত তাঁর পর্যবেক্ষণে ওই তরুণীর পোশাককে কোনো অনুষ্ঠানের জন্যও দৃষ্টিকটু বলে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যকে ‘দুঃখজনক’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আসক জানায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) জানতে পেরেছে যে, নরসিংদী রেল স্টেশনে পোশাকের জন্য তরুণীকে হেনস্তার প্রসঙ্গ নিয়ে মহামান্য উচ্চ আদালত প্রশ্ন রেখেছেন—সভ্য দেশে এমন পোশাক পরে রেল স্টেশনে যাওয়া যায় কিনা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উচ্চ আদালতের বক্তব্য যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, তা যদি সত্য হয় তবে তা নারীর সমানাধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার মানদণ্ড এবং বর্তমান সরকারের নারীর ক্ষমতায়ন-সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তা ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য প্রতিক্রিয়াশীলদের উদ্বুদ্ধ করবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আসক।
নরসিংদী রেলস্টেশনে পোশাকের কারণে এক তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে থাকা মার্জিয়া আক্তার ওরফে শিলার ছয় মাসের জামিন গতকাল মঙ্গলবার মঞ্জুর হয়। বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের বেঞ্চ এ জামিন আদেশ দেন।
আদেশের সঙ্গে দেওয়া পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘কোনো অনুষ্ঠানেও এ ধরনের পোশাক দৃষ্টিকটু।’
ওই আদেশের পর আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, ‘আদালত তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেছেন, গুলশান-বনানীর মতো এলাকায়ও কোনো মেয়ে এ ধরনের পোশাক পরে রাস্তায় বের হয় না। সেখানে গ্রামের মতো একটি জায়গায় পাবলিক প্লেসে এ রকম পোশাক পরা স্বাধীনতা হতে পারে না। যেমন খুশি তেমন পোশাকের নামে আমাদের সোসাইটির কালচারকে ধ্বংস করতে পারে না। ওই মেয়ে যে ধরনের পোশাক পরিহিত ছিল, সেটা আমাদের দেশের সামাজিক অবস্থার সঙ্গে বেমানান। যে কারণেই প্রতিবাদের শিকার হয়েছিল।’
এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আসক তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, এমন মন্তব্যে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। নারীর স্বাধীনতা, নারীর পছন্দ করার বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার সবই সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকারগুলো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সনদ দ্বারাও স্বীকৃত। একই সঙ্গে যে স্থানে পোশাককে গুরুত্ব না দিয়ে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা সর্বোত্তম উপায়ে নিশ্চিত হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এমন বক্তব্যের মাধ্যমে সেই নারীকেই পুনরায় হেনস্তা হতে হচ্ছে। আসক প্রকাশিত সাংবাদের ভিত্তিতে এ বিষয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে। মানুষের অধিকার নিশ্চিতের সর্বোচ্চ স্থান মহামান্য আদালতের প্রতি সম্মান ও আস্থা রেখে আসক নারীর অধিকারসমূহ সমুন্নত রাখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছে।’

নরসিংদী রেলস্টেশনে পোশাকের কারণে এক তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে থাকা মার্জিয়া আক্তার ওরফে শিলা (৬০) গতকাল ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন। জামিন আদেশের পাশাপাশি আদালত তাঁর পর্যবেক্ষণে ওই তরুণীর পোশাককে কোনো অনুষ্ঠানের জন্যও দৃষ্টিকটু বলে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যকে ‘দুঃখজনক’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আসক জানায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক) জানতে পেরেছে যে, নরসিংদী রেল স্টেশনে পোশাকের জন্য তরুণীকে হেনস্তার প্রসঙ্গ নিয়ে মহামান্য উচ্চ আদালত প্রশ্ন রেখেছেন—সভ্য দেশে এমন পোশাক পরে রেল স্টেশনে যাওয়া যায় কিনা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উচ্চ আদালতের বক্তব্য যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, তা যদি সত্য হয় তবে তা নারীর সমানাধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার মানদণ্ড এবং বর্তমান সরকারের নারীর ক্ষমতায়ন-সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তা ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য প্রতিক্রিয়াশীলদের উদ্বুদ্ধ করবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আসক।
নরসিংদী রেলস্টেশনে পোশাকের কারণে এক তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে থাকা মার্জিয়া আক্তার ওরফে শিলার ছয় মাসের জামিন গতকাল মঙ্গলবার মঞ্জুর হয়। বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের বেঞ্চ এ জামিন আদেশ দেন।
আদেশের সঙ্গে দেওয়া পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘কোনো অনুষ্ঠানেও এ ধরনের পোশাক দৃষ্টিকটু।’
ওই আদেশের পর আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, ‘আদালত তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেছেন, গুলশান-বনানীর মতো এলাকায়ও কোনো মেয়ে এ ধরনের পোশাক পরে রাস্তায় বের হয় না। সেখানে গ্রামের মতো একটি জায়গায় পাবলিক প্লেসে এ রকম পোশাক পরা স্বাধীনতা হতে পারে না। যেমন খুশি তেমন পোশাকের নামে আমাদের সোসাইটির কালচারকে ধ্বংস করতে পারে না। ওই মেয়ে যে ধরনের পোশাক পরিহিত ছিল, সেটা আমাদের দেশের সামাজিক অবস্থার সঙ্গে বেমানান। যে কারণেই প্রতিবাদের শিকার হয়েছিল।’
এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আসক তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, এমন মন্তব্যে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। নারীর স্বাধীনতা, নারীর পছন্দ করার বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার, চলাফেরার অধিকার সবই সাংবিধানিক অধিকার। এ অধিকারগুলো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সনদ দ্বারাও স্বীকৃত। একই সঙ্গে যে স্থানে পোশাককে গুরুত্ব না দিয়ে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা সর্বোত্তম উপায়ে নিশ্চিত হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এমন বক্তব্যের মাধ্যমে সেই নারীকেই পুনরায় হেনস্তা হতে হচ্ছে। আসক প্রকাশিত সাংবাদের ভিত্তিতে এ বিষয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে। মানুষের অধিকার নিশ্চিতের সর্বোচ্চ স্থান মহামান্য আদালতের প্রতি সম্মান ও আস্থা রেখে আসক নারীর অধিকারসমূহ সমুন্নত রাখার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে