নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ খানের ওপর গুলির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ও আজ রোববার জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শিবপুর থানার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার মো. ফরিদ সরকার (৬৩), সৈয়দনগর এলাকার মো. সাব্বির (৩২), পূর্ব সৈয়দনগর এলাকার মনসুর আহমেদ রানা (৪৩) ও কামারগাঁও এলাকার মোমেন মোল্লা (৫৯)।
শিবপুর মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানকে গুলির ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পালপাড়া বাজার রোডের পাশের একটি নির্জন বাড়ি থেকে হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা করেছে।
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ জানানো হয়নি। আমরা আহত উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ হয়ে অভিযোগ দায়ের করবেন। এই হামলার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।’
এদিকে ওই হামলার প্রতিবাদে আজও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। সকালে শিবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সংসদ এই সমাবেশ করে। এ সময় দ্রুত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাসহ হামলার তীব্র নিন্দা জানান বক্তারা।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহসিন নাজিরের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম ভূঁইয়া রাখিল, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজিজুর রহমান বুলু, ডেপুটি কমান্ডার মোতালিব খান ও স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল সকালে উপজেলা সদরের বাজার সড়কের নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হন শিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ খান। তিনজন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে তাঁকে পরপর দুটি গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
প্রথমে তাঁকে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনার পর গতকাল সকাল ৯টা থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও হারুনুর রশিদ খানের সমর্থকেরা উপজেলার প্রধান সড়কসহ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধ রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ খানের ওপর গুলির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ও আজ রোববার জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন শিবপুর থানার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার মো. ফরিদ সরকার (৬৩), সৈয়দনগর এলাকার মো. সাব্বির (৩২), পূর্ব সৈয়দনগর এলাকার মনসুর আহমেদ রানা (৪৩) ও কামারগাঁও এলাকার মোমেন মোল্লা (৫৯)।
শিবপুর মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানকে গুলির ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পালপাড়া বাজার রোডের পাশের একটি নির্জন বাড়ি থেকে হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা করেছে।
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ জানানো হয়নি। আমরা আহত উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ হয়ে অভিযোগ দায়ের করবেন। এই হামলার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।’
এদিকে ওই হামলার প্রতিবাদে আজও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। সকালে শিবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সংসদ এই সমাবেশ করে। এ সময় দ্রুত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাসহ হামলার তীব্র নিন্দা জানান বক্তারা।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহসিন নাজিরের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম ভূঁইয়া রাখিল, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজিজুর রহমান বুলু, ডেপুটি কমান্ডার মোতালিব খান ও স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারাসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল সকালে উপজেলা সদরের বাজার সড়কের নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হন শিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ খান। তিনজন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে তাঁকে পরপর দুটি গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।
প্রথমে তাঁকে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনার পর গতকাল সকাল ৯টা থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও হারুনুর রশিদ খানের সমর্থকেরা উপজেলার প্রধান সড়কসহ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধ রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে