নারায়ণগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

নামাজ শেষে বের হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ মিয়া (৬৫) খুনের ঘটনার প্রাথমিক রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে র্যাব। আজ রোববার সিদ্ধিরগঞ্জে র্যাব–১১ এর সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
এ সময় গ্রেপ্তার চার আসামিকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। তারা হলেন–কাশিপুর এলাকার আলী মাঝির ছেলে আলাউদ্দিন হীরা (৩৫), পশ্চিম ভোলাইল এলাকার আওলাদ হোসেনের ছেলে আল আমিন (২২), একই এলাকার জাফরের ছেলে রাসেল (২০) এবং সেলিমের ছেলে সানি (২২)।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইট–বালু ব্যবসার বিরোধে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের হামলায় খুন হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা সুরুজ মিয়া। এই ঘটনায় তার দুই ছেলেসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়। পরে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
শনিবার র্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদরের চর সৈয়দপুর এলাকা থেকে এক আসামি এবং বাকি তিন আসামিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের রতনপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি। অপরদিকে নিহত ভিকটিম সুরুজ মিয়া এলাকার সাবেক মেম্বার এবং কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি আলীপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘ভিকটিমের অটোরিকশা গ্যারেজ ও ইট-বালুর ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রধান আসামি হীরা (৩৫) এবং তার ভাই সালাউদ্দিন ওরফে সালুর সঙ্গে ভিকটিমের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে হীরা ও তার ভাই সালু এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করে।
ওই ভবনের মালিক ভিকটিম সুরুজ মিয়াকে বিষয়টি জানান। পরে ভিকটিম বিষয়টি তাদের বাবাকে অবহিত করেন এবং চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয় হীরা ও সালু।’
তানভীর মাহমুদ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে হীরা ও সালুর নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সুরুজ মিয়ার বড় ছেলে রাজু (৪৩) এবং ছোট ছেলে জনির (৪১) ওপর হামলা চালায়। তারা রামদা ও চাপাতি দিয়ে দুজনকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকেন।
নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বেরিয়ে খবর পেয়ে সুরুজ মিয়া ছেলেদের বাঁচাতে ছুটে যান। সেখানে তাকে পেয়ে তার ওপরেও হামলা চালায় আসামিরা। আত্মরক্ষার্থে সুরুজ মিয়া একজনের কাছ থেকে রামদা ছিনিয়ে নিলেও সংঘবদ্ধ দলের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।’
র্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামি আলাউদ্দিন হীরার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম, ডাকাতি, চুরিসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার রাসেল ও আল আমিনের বিরুদ্ধে মাদক, নারী নির্যাতনের মামলা ও জিডি রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নামাজ শেষে বের হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ মিয়া (৬৫) খুনের ঘটনার প্রাথমিক রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে র্যাব। আজ রোববার সিদ্ধিরগঞ্জে র্যাব–১১ এর সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
এ সময় গ্রেপ্তার চার আসামিকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। তারা হলেন–কাশিপুর এলাকার আলী মাঝির ছেলে আলাউদ্দিন হীরা (৩৫), পশ্চিম ভোলাইল এলাকার আওলাদ হোসেনের ছেলে আল আমিন (২২), একই এলাকার জাফরের ছেলে রাসেল (২০) এবং সেলিমের ছেলে সানি (২২)।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইট–বালু ব্যবসার বিরোধে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের হামলায় খুন হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা সুরুজ মিয়া। এই ঘটনায় তার দুই ছেলেসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়। পরে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
শনিবার র্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদরের চর সৈয়দপুর এলাকা থেকে এক আসামি এবং বাকি তিন আসামিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের রতনপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি। অপরদিকে নিহত ভিকটিম সুরুজ মিয়া এলাকার সাবেক মেম্বার এবং কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি আলীপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘ভিকটিমের অটোরিকশা গ্যারেজ ও ইট-বালুর ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রধান আসামি হীরা (৩৫) এবং তার ভাই সালাউদ্দিন ওরফে সালুর সঙ্গে ভিকটিমের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে হীরা ও তার ভাই সালু এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করে।
ওই ভবনের মালিক ভিকটিম সুরুজ মিয়াকে বিষয়টি জানান। পরে ভিকটিম বিষয়টি তাদের বাবাকে অবহিত করেন এবং চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকতে বলেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয় হীরা ও সালু।’
তানভীর মাহমুদ বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে হীরা ও সালুর নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সুরুজ মিয়ার বড় ছেলে রাজু (৪৩) এবং ছোট ছেলে জনির (৪১) ওপর হামলা চালায়। তারা রামদা ও চাপাতি দিয়ে দুজনকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকেন।
নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বেরিয়ে খবর পেয়ে সুরুজ মিয়া ছেলেদের বাঁচাতে ছুটে যান। সেখানে তাকে পেয়ে তার ওপরেও হামলা চালায় আসামিরা। আত্মরক্ষার্থে সুরুজ মিয়া একজনের কাছ থেকে রামদা ছিনিয়ে নিলেও সংঘবদ্ধ দলের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।’
র্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামি আলাউদ্দিন হীরার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম, ডাকাতি, চুরিসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার রাসেল ও আল আমিনের বিরুদ্ধে মাদক, নারী নির্যাতনের মামলা ও জিডি রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে