নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জে কারখানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া বিএনপি নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীকে থাইল্যান্ডে যাওয়ার পথে বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রিয়াদ ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
এদিকে আজ বেলা ১১টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রিয়াদকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য রিয়াদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রিয়াদের কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অডিও অনুযায়ী, আজাদ হোসেন নামের এক কারখানামালিকের কাছে চাঁদা চেয়েছেন রিয়াদ। চাঁদা না দিয়ে কারখানা খোলায় সেটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, কারখানার মালিকের উদ্দেশে রিয়াদ বলছেন, ‘আপনি ফ্যাক্টরি খুলছেন কেন? ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরিয়ে দেব। আপনি শেখ হাসিনার কী হন? গুন্ডামি করলেন কয়দিন ধরে। আমি ওই সময় শুধু রানার জন্য আগুন ধরাতে দিই নাই। ফতুল্লায় কত ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরছে আপনারা তো দেখছেন। আপনি ফ্যাক্টরি খুললেন কেন?’ উত্তরে কারখানার মালিক আজাদ বলেন, ‘বাবা, কী করতে হবে বইল। তুমি যেভাবে বলবে সেভাবে করব। আমি কি তোমার কথার বাইরে গেছি বল?’
তখন রিয়াদ বলেন, ‘আপনি টাকা তো কবরে নিয়ে যাবেন। আপনেরে টাকাসহ কবরে দিয়ে দেব। আপনি এখন ফতুল্লা আসেন। আপনি এখন আসবেন নাকি ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরিয়ে দেব?’ জবাবে আজাদ বলেন, ‘আচ্ছা আমি তোমার সাথে সাক্ষাৎ করব।’
রিয়াদ প্রশ্ন করেন, ‘আপনি আমাকে বলেন কখন সাক্ষাৎ করবেন। কখন কবে দেখা করবেন, সেটা বলেন। কালকে রাতে যদি আগুন ফ্যাক্টরি পুড়ে ফেলে তখন বসে থাকতে পারতেন? দুই-চারটা বাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আগে আগুন ধরায় নাই? ধরছে কি না বলেন? সেলিম ওসমানের ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরছে। আর আপনি তো শামীম ওসমানের ছোট ভাই। আপনি আওয়ামী লীগার মানে আপনি তো বড় আওয়ামী লীগার। আপনি গুন্ডা পালেন মিয়া। আজকে বুধবার, আপনি কী বারে দেখা করবেন? এরপর সামনের বুধবার পর্যন্ত দেখব, তারপর কী করতে হয় করব।’ তখন আজাদ অনুনয় করে বলেন, ‘তুমি আমার বাপ লাগো। আমি তোমার ওপর নির্ভর করে আছি। তুমি বাবা একটু হেল্প কর।’
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ‘তার (রিয়াদ) বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হওয়ায় সে আটক হওয়ার ভয়ে থাইল্যান্ডে পালিয়ে যাচ্ছিল। আজ সকালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। সে এখন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো মামলা হয়নি। মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

নারায়ণগঞ্জে কারখানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া বিএনপি নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীকে থাইল্যান্ডে যাওয়ার পথে বিমানবন্দর থেকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রিয়াদ ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
এদিকে আজ বেলা ১১টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রিয়াদকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য রিয়াদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রিয়াদের কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অডিও অনুযায়ী, আজাদ হোসেন নামের এক কারখানামালিকের কাছে চাঁদা চেয়েছেন রিয়াদ। চাঁদা না দিয়ে কারখানা খোলায় সেটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, কারখানার মালিকের উদ্দেশে রিয়াদ বলছেন, ‘আপনি ফ্যাক্টরি খুলছেন কেন? ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরিয়ে দেব। আপনি শেখ হাসিনার কী হন? গুন্ডামি করলেন কয়দিন ধরে। আমি ওই সময় শুধু রানার জন্য আগুন ধরাতে দিই নাই। ফতুল্লায় কত ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরছে আপনারা তো দেখছেন। আপনি ফ্যাক্টরি খুললেন কেন?’ উত্তরে কারখানার মালিক আজাদ বলেন, ‘বাবা, কী করতে হবে বইল। তুমি যেভাবে বলবে সেভাবে করব। আমি কি তোমার কথার বাইরে গেছি বল?’
তখন রিয়াদ বলেন, ‘আপনি টাকা তো কবরে নিয়ে যাবেন। আপনেরে টাকাসহ কবরে দিয়ে দেব। আপনি এখন ফতুল্লা আসেন। আপনি এখন আসবেন নাকি ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরিয়ে দেব?’ জবাবে আজাদ বলেন, ‘আচ্ছা আমি তোমার সাথে সাক্ষাৎ করব।’
রিয়াদ প্রশ্ন করেন, ‘আপনি আমাকে বলেন কখন সাক্ষাৎ করবেন। কখন কবে দেখা করবেন, সেটা বলেন। কালকে রাতে যদি আগুন ফ্যাক্টরি পুড়ে ফেলে তখন বসে থাকতে পারতেন? দুই-চারটা বাড়ি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আগে আগুন ধরায় নাই? ধরছে কি না বলেন? সেলিম ওসমানের ফ্যাক্টরিতে আগুন ধরছে। আর আপনি তো শামীম ওসমানের ছোট ভাই। আপনি আওয়ামী লীগার মানে আপনি তো বড় আওয়ামী লীগার। আপনি গুন্ডা পালেন মিয়া। আজকে বুধবার, আপনি কী বারে দেখা করবেন? এরপর সামনের বুধবার পর্যন্ত দেখব, তারপর কী করতে হয় করব।’ তখন আজাদ অনুনয় করে বলেন, ‘তুমি আমার বাপ লাগো। আমি তোমার ওপর নির্ভর করে আছি। তুমি বাবা একটু হেল্প কর।’
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ‘তার (রিয়াদ) বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হওয়ায় সে আটক হওয়ার ভয়ে থাইল্যান্ডে পালিয়ে যাচ্ছিল। আজ সকালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। সে এখন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো মামলা হয়নি। মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে