নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রায় ৪৫ একর জমির ওপর তৈরি বিশাল কারখানা। কাজ করতেন কয়েক হাজার শ্রমিক। সেখানে তৈরি হওয়া টায়ার রপ্তানি হতো বিদেশেও। কিন্তু বিশাল এই কারখানাটি এখন পুরোটাই ধ্বংসস্তূপ। গত রোববার রাতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে গাজী টায়ার কারখানার সব পণ্য, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি। খসে পড়ছে কারখানা ভবনের দেয়াল ও পলেস্তারা। ভবনটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে স্থানীয়দের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত গাজী গ্রুপের এই কারখানায় ঢুকে লুটপাট চালায় কয়েক শ মানুষ। লুটপাটের সময় রাত ৯টার দিকে কারখানাটির ছয়তলা ভবনটির নিচতলায় আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। পুড়িয়ে দেওয়া হয় পুরো কারখানাসহ ভেতরে থাকা অন্তত ১০টি গাড়ি। সেই থেকে জ্বলতে থাকা আগুন গতকাল সোমবার রাত ৯টার পরেও পুরোপুরি নেভেনি।
প্রায় ২২ ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। তবে পুরোপুরি আগুন নেভাতে আরও সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলে থাকায় কারখানার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানায় তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘বিকেল থেকে লুটপাটের প্রতিযোগিতা শুরু হয় কারখানার ভেতর। এর মধ্যে একটি ভবনে টায়ার তৈরির উপকরণসহ বেশ দামি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল ছিল। সেই কাঁচামাল লুট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। রাত ৯টার দিকে একটি পক্ষ ভেতরে ঢুকে লুটপাট চালানোর সময় আরেকটি পক্ষ ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই দাহ্য পদার্থের সংস্পর্শ পেয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন থেকে বাঁচতে ভবন থেকে বেশ কয়েকজন পাশের টিনশেডে লাফ দেন।
এদিকে গতকাল সকাল থেকে গাজী টায়ারের সামনে বাড়তে থাকে নিখোঁজ স্বজনদের ভিড়। ফায়ার সার্ভিস জানায়, রোববার রাতেই অন্তত ১৪ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আগুনের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় নিখোঁজ শ্রমিকদের বিপুলসংখ্যক স্বজনদের। জ্বলন্ত ভবনের সামনেই কারখানার শিশুসন্তান আদনানকে নিয়ে বিলাপ করতে দেখা যায় গৃহবধূ রুবীকে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সজিব (২৬) গত রাত ৯টা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। সজিব উপজেলার মুড়াপাড়া গঙ্গানগর এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। কারখানায় লুটপাট হইতাছে শুনে অন্যান্য মানুষের মতো সজিবও কারখানায় আসে। এরপর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ফায়ার সার্ভিসের পিএসসি পরিচালক লে. কর্নেল রেজাউল করিম সাংবাদিকদের জানান, ৭টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন পুরোপুরি নেভাতে আরও সময় লাগবে। দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলে থাকার কারণ হিসেবে টায়ারের কাঁচামাল ও দাহ্য পদার্থের উপস্থিতিকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে পুরো ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণও বলে জানান।

প্রায় ৪৫ একর জমির ওপর তৈরি বিশাল কারখানা। কাজ করতেন কয়েক হাজার শ্রমিক। সেখানে তৈরি হওয়া টায়ার রপ্তানি হতো বিদেশেও। কিন্তু বিশাল এই কারখানাটি এখন পুরোটাই ধ্বংসস্তূপ। গত রোববার রাতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে গাজী টায়ার কারখানার সব পণ্য, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি। খসে পড়ছে কারখানা ভবনের দেয়াল ও পলেস্তারা। ভবনটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে স্থানীয়দের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত গাজী গ্রুপের এই কারখানায় ঢুকে লুটপাট চালায় কয়েক শ মানুষ। লুটপাটের সময় রাত ৯টার দিকে কারখানাটির ছয়তলা ভবনটির নিচতলায় আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। পুড়িয়ে দেওয়া হয় পুরো কারখানাসহ ভেতরে থাকা অন্তত ১০টি গাড়ি। সেই থেকে জ্বলতে থাকা আগুন গতকাল সোমবার রাত ৯টার পরেও পুরোপুরি নেভেনি।
প্রায় ২২ ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। তবে পুরোপুরি আগুন নেভাতে আরও সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলে থাকায় কারখানার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানায় তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘বিকেল থেকে লুটপাটের প্রতিযোগিতা শুরু হয় কারখানার ভেতর। এর মধ্যে একটি ভবনে টায়ার তৈরির উপকরণসহ বেশ দামি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল ছিল। সেই কাঁচামাল লুট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। রাত ৯টার দিকে একটি পক্ষ ভেতরে ঢুকে লুটপাট চালানোর সময় আরেকটি পক্ষ ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই দাহ্য পদার্থের সংস্পর্শ পেয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন থেকে বাঁচতে ভবন থেকে বেশ কয়েকজন পাশের টিনশেডে লাফ দেন।
এদিকে গতকাল সকাল থেকে গাজী টায়ারের সামনে বাড়তে থাকে নিখোঁজ স্বজনদের ভিড়। ফায়ার সার্ভিস জানায়, রোববার রাতেই অন্তত ১৪ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আগুনের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় নিখোঁজ শ্রমিকদের বিপুলসংখ্যক স্বজনদের। জ্বলন্ত ভবনের সামনেই কারখানার শিশুসন্তান আদনানকে নিয়ে বিলাপ করতে দেখা যায় গৃহবধূ রুবীকে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সজিব (২৬) গত রাত ৯টা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। সজিব উপজেলার মুড়াপাড়া গঙ্গানগর এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। কারখানায় লুটপাট হইতাছে শুনে অন্যান্য মানুষের মতো সজিবও কারখানায় আসে। এরপর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ফায়ার সার্ভিসের পিএসসি পরিচালক লে. কর্নেল রেজাউল করিম সাংবাদিকদের জানান, ৭টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন পুরোপুরি নেভাতে আরও সময় লাগবে। দীর্ঘ সময় আগুন জ্বলে থাকার কারণ হিসেবে টায়ারের কাঁচামাল ও দাহ্য পদার্থের উপস্থিতিকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে পুরো ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণও বলে জানান।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে