নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল-যশোর সড়কের সদর উপজেলার দুর্বাজুড়ি এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একটি বাসের চালক জাফর বিশ্বাস (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত চালক জাফর যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নড়াইল-যশোর সড়কের বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের চালক।
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যশোরগামী লিটন ট্রাভেলস এবং যশোর থেকে নড়াইলগামী লোকাল বাস বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় দুটি বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের চালক জাফর নিহত হন। আহতদের মধ্যে আছেন লিটন ট্রাভেলসের চালক মাহবুব হোসেন (৪৫), নড়াইল সদর হাসপাতালের নার্স রোমেছা খানম (৪০), আবু তালেব (৫৫), ইয়াসীন (২০), হীরা বেগম (৩৫), রজত বিশ্বাস (৩৮), পাপিয়া (৩০), লোকাল বাসের চালকের সহকারী মুন্না শেখ (১৯), সমীর সরকার (৬৫), সমীরের স্ত্রী প্রণতি সরকার (৬০), এবাদুল হোসেন (৫২), ফজলুল হক (৬০), রিভা (২৫), মিতু (১৮) প্রমুখ।
লোকাল বাসের চালকের সহকারী মুন্না শেখ (১৯) বলেন, ‘আমাদের গাড়ি যশোর থেকে নড়াইলের উদ্দেশে ছেড়ে আসার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা লিটন ট্রাভেলসের একটি পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।’
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি সরানোর পর নড়াইল-যশোর সড়কে বেলা সোয়া ১২টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নড়াইল-যশোর সড়কের সদর উপজেলার দুর্বাজুড়ি এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একটি বাসের চালক জাফর বিশ্বাস (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত চালক জাফর যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নড়াইল-যশোর সড়কের বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের চালক।
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যশোরগামী লিটন ট্রাভেলস এবং যশোর থেকে নড়াইলগামী লোকাল বাস বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় দুটি বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় বন্ধু কল্যাণ পরিবহনের চালক জাফর নিহত হন। আহতদের মধ্যে আছেন লিটন ট্রাভেলসের চালক মাহবুব হোসেন (৪৫), নড়াইল সদর হাসপাতালের নার্স রোমেছা খানম (৪০), আবু তালেব (৫৫), ইয়াসীন (২০), হীরা বেগম (৩৫), রজত বিশ্বাস (৩৮), পাপিয়া (৩০), লোকাল বাসের চালকের সহকারী মুন্না শেখ (১৯), সমীর সরকার (৬৫), সমীরের স্ত্রী প্রণতি সরকার (৬০), এবাদুল হোসেন (৫২), ফজলুল হক (৬০), রিভা (২৫), মিতু (১৮) প্রমুখ।
লোকাল বাসের চালকের সহকারী মুন্না শেখ (১৯) বলেন, ‘আমাদের গাড়ি যশোর থেকে নড়াইলের উদ্দেশে ছেড়ে আসার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা লিটন ট্রাভেলসের একটি পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।’
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি সরানোর পর নড়াইল-যশোর সড়কে বেলা সোয়া ১২টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে