নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী রাসেল মিয়াকে (৩০) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় প্রদান করেন।
হত্যায় সহযোগিতার দায়ে নিহতের দেবর হিমেল মিয়াকে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর শাশুড়ি মাজেদা আক্তারকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে, এক মাসের সাজা প্রদান করেছেন আদালত।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।’
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–জেলার বারহাট্টা উপজেলার চরসিংধা গ্রামের আ. হাসিমের ছেলে মো. রাসেল মিয়া, হিমেল মিয়া ও স্ত্রী মাজেদা আক্তার। আর
নিহত গৃহবধূ তমালিকা আক্তার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ভাটিপাড়া গ্রামের মো. রহিজ মিয়ার মেয়ে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে রাসেলের সঙ্গে তমালিকার বিয়ে হয়। এর আগে আসামি রাসেল তার আগের স্ত্রী রোকেয়াকে তালাক দিয়ে তমালিকাকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই রাসেল স্ত্রী রোকেয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন।
এই নিয়ে তমালিকার সঙ্গে রাসেলের ঝগড়া হয়। রাসেল তাকে মারপিট করায় তমালিকা বাপের বাড়ি চলে যান। পরে গ্রামের মাতব্বরদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে তমালিকাকে আবার স্বামীর গৃহে পাঠান। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি রাতে খাওয়ার পর তমালিকা ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু পরদিন তার স্বামীর ঘরের বারান্দায় তমালিকার গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়।
পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ সময় তমালিকা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় তমালিকার বাবা রহিজ মিয়া বাদী হয়ে ১০ জানুয়ারি বারহাট্টা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নেত্রকোনায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী রাসেল মিয়াকে (৩০) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় প্রদান করেন।
হত্যায় সহযোগিতার দায়ে নিহতের দেবর হিমেল মিয়াকে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর শাশুড়ি মাজেদা আক্তারকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে, এক মাসের সাজা প্রদান করেছেন আদালত।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আবুল হাসেম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।’
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–জেলার বারহাট্টা উপজেলার চরসিংধা গ্রামের আ. হাসিমের ছেলে মো. রাসেল মিয়া, হিমেল মিয়া ও স্ত্রী মাজেদা আক্তার। আর
নিহত গৃহবধূ তমালিকা আক্তার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ভাটিপাড়া গ্রামের মো. রহিজ মিয়ার মেয়ে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে রাসেলের সঙ্গে তমালিকার বিয়ে হয়। এর আগে আসামি রাসেল তার আগের স্ত্রী রোকেয়াকে তালাক দিয়ে তমালিকাকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই রাসেল স্ত্রী রোকেয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন।
এই নিয়ে তমালিকার সঙ্গে রাসেলের ঝগড়া হয়। রাসেল তাকে মারপিট করায় তমালিকা বাপের বাড়ি চলে যান। পরে গ্রামের মাতব্বরদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে তমালিকাকে আবার স্বামীর গৃহে পাঠান। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি রাতে খাওয়ার পর তমালিকা ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু পরদিন তার স্বামীর ঘরের বারান্দায় তমালিকার গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়।
পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ সময় তমালিকা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় তমালিকার বাবা রহিজ মিয়া বাদী হয়ে ১০ জানুয়ারি বারহাট্টা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পাবনার সুজানগরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে সাগর শেখ ওরফে মাসুদ রানা (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার তাঁতিবন্ধ ইউনিয়নের রেলস্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
সিআইডির প্রধান জানান, পাচার চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়ে বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেয়। পরে তাঁদেরকে অবৈধভাবে লিবিয়া পাঠানো হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ডিঙি নৌকায় তোলা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানী থেকে টেলিগ্রামভিত্তিক প্রতারণা চক্রের পাঁচ চীনা নাগরিকসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বসুন্ধরা ও উত্তরা পশ্চিম এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
২ ঘণ্টা আগে