ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে এবার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এ প্রতিষ্ঠাগুলোর সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেলা ২টায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে ফলাফল প্রকাশ করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৫৫৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১ হাজার ৪৪৬ জন পরীক্ষার্থী।
ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা ও শেরপুর—এই চার জেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। তবে জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে না পারলেও এ তালিকায় নাম নেই নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলার।
জামালপুর জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সদরের রঘুনাথপুর হাইস্কুল, গোলসারাভি চরাবোনিয়া মনজা বিবি গার্লস হাইস্কুল, চন্দ্রবাড়ী হিসারা ওসমানি গার্লস হাইস্কুল, ইসলামপুরের সৌর চান মডেল জুনিয়র স্কুল, মেলান্দহের কালাবধা জুনিয়র হাইস্কুল ও পাহাড়দারি এম এ মজিদ গার্লস হাইস্কুল।
ময়মনসিংহ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো ফুলবাড়িয়ার রাংছাপারা হাইস্কুল, ভীমজান মডার্ন গার্লস একাডেমি, গৌরীপুরের দারগাবাড়ী হাইস্কুল, ফুলপুরের শাহ শহীদ শওকত মডেল গার্লস হাইস্কুল ও মুসাপুর হাইস্কুল।
ফলাফল নিয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এ বছর তুলনামূলকভাবে পাসের হার কিছুটা কম। শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি। এটা ভালো দিক নয়। আমরা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বলেছি, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্ন নিতে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে এবার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এ প্রতিষ্ঠাগুলোর সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেলা ২টায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে ফলাফল প্রকাশ করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৫৫৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬১ হাজার ৪৪৬ জন পরীক্ষার্থী।
ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা ও শেরপুর—এই চার জেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। তবে জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় মোট ১১টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে না পারলেও এ তালিকায় নাম নেই নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলার।
জামালপুর জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সদরের রঘুনাথপুর হাইস্কুল, গোলসারাভি চরাবোনিয়া মনজা বিবি গার্লস হাইস্কুল, চন্দ্রবাড়ী হিসারা ওসমানি গার্লস হাইস্কুল, ইসলামপুরের সৌর চান মডেল জুনিয়র স্কুল, মেলান্দহের কালাবধা জুনিয়র হাইস্কুল ও পাহাড়দারি এম এ মজিদ গার্লস হাইস্কুল।
ময়মনসিংহ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো ফুলবাড়িয়ার রাংছাপারা হাইস্কুল, ভীমজান মডার্ন গার্লস একাডেমি, গৌরীপুরের দারগাবাড়ী হাইস্কুল, ফুলপুরের শাহ শহীদ শওকত মডেল গার্লস হাইস্কুল ও মুসাপুর হাইস্কুল।
ফলাফল নিয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এ বছর তুলনামূলকভাবে পাসের হার কিছুটা কম। শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি। এটা ভালো দিক নয়। আমরা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বলেছি, শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্ন নিতে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে