মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বন্যায় ব্রিজসহ দু’পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দিকপাড়া খালের ওপর নির্মিত ওই ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ যাতায়াত করতে পারছে না। প্রায় ৫ বছর ধরে ব্রিজটি হাজারো মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিজ দিয়ে লোকজন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের বন্যায় ব্রিজটির দু’পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয় ও ব্রিজটির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙা ব্রিজটির দু’পাশে কাঠের চাটা বসিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেঁটে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করছে। কখনো ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যান চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে। বিশেষ করে, রাতে ব্রিজটি পারাপার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছেন বেশি।
স্থানীয়রা জানান, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের বন্যায় পানির তোড়ে ব্রিজটির দু’পাশ ও নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এরপর গত ৫ বছরেও ব্রিজটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে ব্রিজের দু’পাশে কাঠের চাটা বসিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। কোন রকম জোড়াতালি দিয়ে পায়ে হেঁটে পারাপারের উপযোগী করা হলেও যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল মাথায় করে ব্রিজটির এক পাশ থেকে অপর পাশে নিতে হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
দিকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা গোলাম নবী জানান, গত ২০-২২ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল কিন্তু ২০১৭ সালের বন্যায় পানি স্রোত বেশি থাকায় সেতুটি ভেঙে যায়। এরপর থেকে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়েই হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় হাট-বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা, হাসপাতালে যাতায়াত করছেন। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার মানুষের জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এস. এম শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি নির্মাণের জন্য এলজিইডির ঢাকা কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেতুটির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বন্যায় ব্রিজসহ দু’পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দিকপাড়া খালের ওপর নির্মিত ওই ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ যাতায়াত করতে পারছে না। প্রায় ৫ বছর ধরে ব্রিজটি হাজারো মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রিজ দিয়ে লোকজন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের বন্যায় ব্রিজটির দু’পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয় ও ব্রিজটির নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙা ব্রিজটির দু’পাশে কাঠের চাটা বসিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেঁটে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করছে। কখনো ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, ভ্যান চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে। বিশেষ করে, রাতে ব্রিজটি পারাপার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছেন বেশি।
স্থানীয়রা জানান, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের বন্যায় পানির তোড়ে ব্রিজটির দু’পাশ ও নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এরপর গত ৫ বছরেও ব্রিজটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে ব্রিজের দু’পাশে কাঠের চাটা বসিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। কোন রকম জোড়াতালি দিয়ে পায়ে হেঁটে পারাপারের উপযোগী করা হলেও যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল মাথায় করে ব্রিজটির এক পাশ থেকে অপর পাশে নিতে হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
দিকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা গোলাম নবী জানান, গত ২০-২২ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল কিন্তু ২০১৭ সালের বন্যায় পানি স্রোত বেশি থাকায় সেতুটি ভেঙে যায়। এরপর থেকে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়েই হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় হাট-বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা, হাসপাতালে যাতায়াত করছেন। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার মানুষের জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এস. এম শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি নির্মাণের জন্য এলজিইডির ঢাকা কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেতুটির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে