ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে সৎছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার সকালে নগরীর দক্ষিণ কালীবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুলকাস উদ্দিন (৫২) চর ঈশ্বরদিয়ার নেয়ামত মণ্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, জুলকাসের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এর পর থেকে তিনি খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে থাকতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। তবে খোরশেদা বেগমের দুই ছেলে রয়েছে। আর তাঁর প্রথম স্ত্রীর ঘরে চার মেয়ে রয়েছে। জুলকাস ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ করতেন। সেখান থেকে তিনি ৭০ হাজার টাকা পান।
ঘটনার দিন আজ সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধরের হুমকি দেয়।
টাকা না দেওয়ায় জুলকাসের সঙ্গে ফয়সালের বিতণ্ডা হয়। এ সময় ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে আঘাত করলে তা জুলকাসের কানের ওপরে লাগে। এরপর তিনি হেঁটে কয়েক গজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। তখন সুযোগ বুঝে ফয়সাল পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
ওসি বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটক করতে অভিযান চলছে।
কোতোয়ালি মডেল উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দুজনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে মাদক ও মারামারির দুটি মামলা রয়েছে।

ময়মনসিংহে সৎছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শনিবার সকালে নগরীর দক্ষিণ কালীবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুলকাস উদ্দিন (৫২) চর ঈশ্বরদিয়ার নেয়ামত মণ্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, জুলকাসের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এর পর থেকে তিনি খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে থাকতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। তবে খোরশেদা বেগমের দুই ছেলে রয়েছে। আর তাঁর প্রথম স্ত্রীর ঘরে চার মেয়ে রয়েছে। জুলকাস ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ করতেন। সেখান থেকে তিনি ৭০ হাজার টাকা পান।
ঘটনার দিন আজ সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধরের হুমকি দেয়।
টাকা না দেওয়ায় জুলকাসের সঙ্গে ফয়সালের বিতণ্ডা হয়। এ সময় ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে আঘাত করলে তা জুলকাসের কানের ওপরে লাগে। এরপর তিনি হেঁটে কয়েক গজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। তখন সুযোগ বুঝে ফয়সাল পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
ওসি বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটক করতে অভিযান চলছে।
কোতোয়ালি মডেল উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দুজনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে মাদক ও মারামারির দুটি মামলা রয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৭ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে