ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

আসিফের তিন বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যান। এর পর থেকে সংসারে শুরু হয় টানাপড়েন। সেই সংসারে নিজের সব সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের সব আবদার মেটাতেন তাঁর মা। অপূর্ণ রাখেননি ছেলের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নও। বড় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নে সব সময় অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাস জোগাতেন তিনি। সংবর্ধনা নিতে এসে এসব কথা বলার একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন জাতীয় ফুটবল দলের (অনূর্ধ্ব-২০) শিরোপা জয়ী অধিনায়ক আশরাফুল হক আসিফ।
আজ শুক্রবার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় আসিফের কান্না দেখে তাঁর মা মমতাজ বেগম ও বড় ভাই আরিফুল হকও কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেককে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।
আসিফের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার দত্তপাড়া গ্রামে। বাবা প্রয়াত আবু তালেব ছিলেন সাংবাদিক ও ফুটবলার। তাঁর মা মমতাজ বেগম পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর, বড় ভাই আরিফুল হকও ফুটবলার ও সাংবাদিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তারের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহ নূরুল শাহীন, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মনি প্রমুখ।
এর আগে গত বুধবার আসিফের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল (অনূর্ধ্ব-২০) নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে। আসিফের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করায় সারা দেশের মতো ঈশ্বরগঞ্জেও আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এদিকে গতকাল রাতে নিজের এলাকায় ফেরেন আসিফ। এ খবর শুনে বিভিন্ন সংগঠন আসিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে সংবর্ধনা জানায়। ফুল হাতে দলের তরুণ ফুটবলাররাও এসে দেখা করেন আসিফের সঙ্গে। ওই তরুণ ফুটবলারদের স্বপ্ন এখন আসিফের মতো হওয়ার।

আসিফের তিন বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যান। এর পর থেকে সংসারে শুরু হয় টানাপড়েন। সেই সংসারে নিজের সব সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে সন্তানদের সব আবদার মেটাতেন তাঁর মা। অপূর্ণ রাখেননি ছেলের ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নও। বড় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নে সব সময় অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাস জোগাতেন তিনি। সংবর্ধনা নিতে এসে এসব কথা বলার একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন জাতীয় ফুটবল দলের (অনূর্ধ্ব-২০) শিরোপা জয়ী অধিনায়ক আশরাফুল হক আসিফ।
আজ শুক্রবার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় আসিফের কান্না দেখে তাঁর মা মমতাজ বেগম ও বড় ভাই আরিফুল হকও কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেককে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।
আসিফের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার দত্তপাড়া গ্রামে। বাবা প্রয়াত আবু তালেব ছিলেন সাংবাদিক ও ফুটবলার। তাঁর মা মমতাজ বেগম পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর, বড় ভাই আরিফুল হকও ফুটবলার ও সাংবাদিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তারের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহ নূরুল শাহীন, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মনি প্রমুখ।
এর আগে গত বুধবার আসিফের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল (অনূর্ধ্ব-২০) নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জয় করে। আসিফের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করায় সারা দেশের মতো ঈশ্বরগঞ্জেও আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এদিকে গতকাল রাতে নিজের এলাকায় ফেরেন আসিফ। এ খবর শুনে বিভিন্ন সংগঠন আসিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে সংবর্ধনা জানায়। ফুল হাতে দলের তরুণ ফুটবলাররাও এসে দেখা করেন আসিফের সঙ্গে। ওই তরুণ ফুটবলারদের স্বপ্ন এখন আসিফের মতো হওয়ার।

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নারানখালী ব্রিজের নিচে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে