দোলন বিশ্বাস, ইসলামপুর (জামালপুর)

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার অন্তত অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বন্যার পানিতে ডুবে আছে। কোনো বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের ঘোষণা অনুসারে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিন সপ্তাহ যমুনা নদীর পানি বাড়তে থাকায় এর আশপাশের এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এতে যমুনা মধ্যবর্তী সাপধরী ইউনিয়নের সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া চিনাডুলী ইউনিয়নের চিনাডুলী এস এন উচ্চ বিদ্যালয়, দেওয়ানপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, ডেপরাইপ্যাচ, দক্ষিণ চিনাডুলী এবং বীর নন্দনেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পানি উঠেছে। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেও পানি জমে গেছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ১২ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭৫ টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ১৭ টি, রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫০ টি, কলেজ, দাখিল মাদ্রাসা, আলিম মাদ্রাসা, বিএম কলেজসহ ১০৪টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। রয়েছে আরও ৬০টি কিন্ডারগার্টেন।
মাধ্যমিক শিক্ষক কল্যান সমিতির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আখন্দ বলেন, 'এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে পানি ঢুকেছে'। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী দুই–তিন দিনের মধ্যে আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢোকার আশঙ্কা করছেন উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন মোহন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, 'এখন পর্যন্ত ৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বন্যাকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি সার্বক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হচ্ছে।'
বন্যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, 'সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তখন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।' উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম মোরশেদও একই বক্তব্য দেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল বলেন, 'শিশুদের জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব রেখে বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার অন্তত অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বন্যার পানিতে ডুবে আছে। কোনো বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের ঘোষণা অনুসারে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত তিন সপ্তাহ যমুনা নদীর পানি বাড়তে থাকায় এর আশপাশের এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এতে যমুনা মধ্যবর্তী সাপধরী ইউনিয়নের সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া চিনাডুলী ইউনিয়নের চিনাডুলী এস এন উচ্চ বিদ্যালয়, দেওয়ানপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, ডেপরাইপ্যাচ, দক্ষিণ চিনাডুলী এবং বীর নন্দনেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পানি উঠেছে। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেও পানি জমে গেছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ১২ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭৫ টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা ১৭ টি, রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫০ টি, কলেজ, দাখিল মাদ্রাসা, আলিম মাদ্রাসা, বিএম কলেজসহ ১০৪টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। রয়েছে আরও ৬০টি কিন্ডারগার্টেন।
মাধ্যমিক শিক্ষক কল্যান সমিতির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আখন্দ বলেন, 'এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে পানি ঢুকেছে'। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী দুই–তিন দিনের মধ্যে আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢোকার আশঙ্কা করছেন উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন মোহন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌস বলেন, 'এখন পর্যন্ত ৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বন্যাকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি সার্বক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হচ্ছে।'
বন্যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফা আক্তার বলেন, 'সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তখন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।' উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম মোরশেদও একই বক্তব্য দেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জামাল আব্দুন নাছের বাবুল বলেন, 'শিশুদের জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব রেখে বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে