নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক ও সদস্যসচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী স্বাক্ষরিত মদন উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে গতকাল শনিবার কমিটির বিষয়টি জানাজানি হয়।
কমিটিতে মজিবুর রহমান লিটনকে উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক করা হয়। তিনি মদন দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মদন দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন।
জানতে চাইলে মজিবুর রহমান লিটন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পদ পাওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। পদের জন্য কারও কাছে তদবিরও করিনি। লোকমুখে শুনেছি যে, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পদে আমার নাম রয়েছে।
‘বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পরে এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছি। আর সরকারি চাকরি করে দলীয় পদে থাকার নিয়ম নেই। বড় পদ পেলে না হয় চাকরি ছেড়ে দিতাম।’
মজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘স্কুল সরকারি হওয়ার আগে দীর্ঘ বছর উপজেলা ছাত্রদল, পরে যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। এখন যে পদে রাখা হয়েছে, এটা আমার জন্য অসম্মানজনক। কারণ, আমার অনেক জুনিয়র এই কমিটির অনেক বড় পদে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি নিজে থেকে চেয়ে নিলে অবশ্যই বড় পদের জন্য বলতাম।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়দা রুবায়াত বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীর কোনো দলীয় পদে থাকার নিয়ম নেই। আমাকে ফোনে অনেকে ওই শিক্ষকের দলীয় পদ পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। কাগজপত্র পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

নেত্রকোনার মদনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক ও সদস্যসচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী স্বাক্ষরিত মদন উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে গতকাল শনিবার কমিটির বিষয়টি জানাজানি হয়।
কমিটিতে মজিবুর রহমান লিটনকে উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক করা হয়। তিনি মদন দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মদন দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন।
জানতে চাইলে মজিবুর রহমান লিটন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পদ পাওয়ার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। পদের জন্য কারও কাছে তদবিরও করিনি। লোকমুখে শুনেছি যে, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পদে আমার নাম রয়েছে।
‘বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পরে এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছি। আর সরকারি চাকরি করে দলীয় পদে থাকার নিয়ম নেই। বড় পদ পেলে না হয় চাকরি ছেড়ে দিতাম।’
মজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘স্কুল সরকারি হওয়ার আগে দীর্ঘ বছর উপজেলা ছাত্রদল, পরে যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। এখন যে পদে রাখা হয়েছে, এটা আমার জন্য অসম্মানজনক। কারণ, আমার অনেক জুনিয়র এই কমিটির অনেক বড় পদে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি নিজে থেকে চেয়ে নিলে অবশ্যই বড় পদের জন্য বলতাম।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়দা রুবায়াত বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীর কোনো দলীয় পদে থাকার নিয়ম নেই। আমাকে ফোনে অনেকে ওই শিক্ষকের দলীয় পদ পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। কাগজপত্র পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সাড়া না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
১০ মিনিট আগে
কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
১৯ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৮ ঘণ্টা আগে