ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের ইসলামপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের ৮০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইসলামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এমদাদুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার জামালপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত ২৮ জন, তদন্তে গ্রেপ্তার ৩৬ জন ও পলাতক ১৬ জনসহ মোট ৮০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩০৭, ৫০৬(২), ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।’
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসলামপুর অডিটোরিয়ামের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলছিল। শেখ হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি ঠেকাতে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খলিল সরকার ওরফে খসখসা খলিলের নেতৃত্বে কোপা দা, লোহার রড, হকিস্টিক, পিঞ্জল, শর্টগানসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হন তাঁরা।
এতে বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ তাঁর হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ওই ঘটনার প্রায় এক মাস পর ৬ সেপ্টেম্বর রাতে চরপুঁটিমারী ইউনিয়নের আগ্রাখালী আকন্দপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা আইয়ুব আলী বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় সাবেক ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলালের ছোট ভাই এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোরশেদুর রহমান মাসুম খানসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জামালপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার মধ্যে এটাই প্রথম, যাতে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করল পুলিশ।

জামালপুরের ইসলামপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের ৮০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইসলামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এমদাদুল হক আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার জামালপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত ২৮ জন, তদন্তে গ্রেপ্তার ৩৬ জন ও পলাতক ১৬ জনসহ মোট ৮০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩০৭, ৫০৬(২), ১১৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।’
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসলামপুর অডিটোরিয়ামের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলছিল। শেখ হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি ঠেকাতে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক খলিল সরকার ওরফে খসখসা খলিলের নেতৃত্বে কোপা দা, লোহার রড, হকিস্টিক, পিঞ্জল, শর্টগানসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হন তাঁরা।
এতে বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ তাঁর হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ওই ঘটনার প্রায় এক মাস পর ৬ সেপ্টেম্বর রাতে চরপুঁটিমারী ইউনিয়নের আগ্রাখালী আকন্দপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা আইয়ুব আলী বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় সাবেক ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলালের ছোট ভাই এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোরশেদুর রহমান মাসুম খানসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জামালপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার মধ্যে এটাই প্রথম, যাতে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করল পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে