
ছাত্র আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ভাস্কর্যটি মেরামত করেছেন ময়মনসিংহের শিল্পীরা। এতে জয়নুলের স্মৃতিবিজড়িত ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটি তাঁর স্বকীয় রূপ ফিরে পেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌনে ৪টার দিকে শিল্পীরা ভাস্কর্যটির মেরামতের কাজ শেষ হয়। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় এই মেরামতের কাজ শুরু করে বিকেল পৌনে ৪টায় শেষ করা হয় বলেও জানায় রং–তুলি শিল্পী মো. রাজন। ময়মনসিংহ বিভাগীয় চারুশিল্পী পর্ষদের সভাপতি মো. রাজন।
তিনি বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট দুর্বৃত্তরা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ভাস্কর্যটি ভুলবশত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করে। তখন বিষয়টি স্থানীয়রা দেখে তাদের শান্ত করে। এতে ভাস্কর্যটির মুখের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা শিল্পী সমাজ এটি মেরামত করেছি।’
মেরামতের কাজে অংশ নেন চিত্রশিল্পী হোসাইন ফারুক, জয়ন্ত কুমার তালুকদার শিবু, হাসান মাসুদ, গৌতম কুমার দেবনাথ, বিশ্বজিৎ কর্মকার তপু, কবি ও সমাজসেবক আলী ইউসুফ, এশিয়ান মিউজিক মিউজিয়ামের পরিচালক রেজাউল করিম আসলাম, গোকুল চন্দ্র বসাক পাপন, মঈনউদ্দিন ঝুনু, আবৃত্তিশিল্পী সূর্য খান, সুনন্দিতা বিশ্বাস, শিক্ষার্থী নাহরীন আহমেদ নক্ষত্র, জয়িতা অর্পা, জওয়াতা আফনান, সিরাজান মুনীরা নিমফিয়া, অর্ঘ্য দাস অঙ্কুর, প্রিয় রঞ্জন দাস, শিশুশিল্পী অনিরুদ্ধ, জারিদ, অনুসমিতা প্রমুখ।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদ পুনঃখননে ব্যয় হয়েছিল ২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্য ছিল নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা কমানো এবং নৌপথ সচল করা। কিন্তু খননের ছয় মাসের মধ্যেই নদ আবার পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় নৌযান চলাচল।
১৭ মিনিট আগে
কোলে দুই বছরের কন্যাশিশু। পরনে মলিন পোশাক। মাথার ওপর ছাদ বলতে চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি সড়কের পাশের পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের একটুখানি ছাউনি। রোদ-বৃষ্টি কিংবা কনকনে শীত—সব আবহাওয়াতেই মা-মেয়ের ঠিকানা এই একচিলতে ফুটপাত।
৩০ মিনিট আগে
পঞ্চগড়ে ১১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সাতটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। এমনকি ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানেন না এমন প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে দরপত্র হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন।
৩৬ মিনিট আগে
১৫০ বাংলো ও ৭০০ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কোয়ার্টারে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি গভীর নলকূপ এবং ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি ওভারহেড পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছিল। ৪০ বছর আগে এই ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে