ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা গাঙ্গিনারপাড় হকার্স মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ব্যবসায়ীদের তৎপরতা ও ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ নিয়ে বিগত পাঁচ বছরে হকার্স মার্কেটে তিনবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহের হকার্স মার্কেটে জুতা, কাপড়, টেইলার্স, মেশিনারিজ যন্ত্রপাতিসহ মোট ১৩৮টি দোকান রয়েছে। ২০১৮ সালের ৭ জুন মাসে অগ্নিকাণ্ডে ১৩৮ দোকান পুড়ে যায়। এতে পথে বসতে হয় ব্যবসায়ীদের। এখনো পর্যন্ত অনেক ব্যবসায়ী পাঁচ বছর আগে নেওয়া ঋণ শোধ করতে পারেননি। কিছুদিন আগেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হকার্স মার্কেটের সামনের সাইকেলের দোকান সম্পন্ন পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে অন্য দোকানের খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আবারও শর্টসার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে পানি সংকট ও রাস্তা সরু থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে বিলাপ করতে করতে বুলবুল মেলার প্রোপ্রাইটর মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল। এখন আমাকে কে দেখবে? আল্লাহ ছাড়া আর কারও ওপর ভরসা করতে পারছি না। ২০১৮ সালে ঈদের আগে ১০ লাখ টাকা বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিয়ে দোকানে মাল তুলছিলাম। এরপর আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে যায়। ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৬ লাখ টাকা শোধ করছি। আর ৪ লাখ টাকা এখনো দিতে পারিনি। এবার শীত সামনে রেখে দোকানে উন্নতমানের জুতা তুলছিলাম। আজ ১৮ লাখ টাকার মালামালসহ দোকান পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গেছে। আমি এখন কী করব, কার কাছে যাব ভেবে পাচ্ছি না।’
মহসিন টেইলার্সের পাপ্পু হোসেন রকি বলেন, ‘আমাদের টেইলার্সে গোডাউন ও মেশিনসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন আমাদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। একটার পর একটা দুর্ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে গেলাম। কোন পরীক্ষায় মাবুদ ফেলছেন তা জানি না।’
মার্কেটের ৯৩ ও ৮৭ দোকানের মালিক জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘আজ সকালে দারোয়ানের কল পেয়ে আমরা দুই ভাই দ্রুত চলে আসি। এসে দেখি আগুন জ্বলছে। পরে সাব-মার্সিবল চালু করে আমরাই আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি। পরে ফায়ার সার্ভিস এলে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কেন আমাদের বারবার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে তা বলতে পারছি না।’
ময়মনসিংহ হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল মোতালেব বলেন, হকার্স মার্কেটে ১৩৮টি দোকান রয়েছে। ২০১৮ সালে সব কটি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তখন ব্যবসায়ীরা সবাই ঈদের মার্কেট ধরার জন্য ধারদেনা করে দোকানে মাল তুলেছিলেন। সেই লোকসান এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁরা। প্রতিটা রাত-দিন এখনো তাঁদের আতঙ্কের মধ্যে কাটাতে হয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকে মার্কেটে একটি সাব-মার্সিবল বসানো হয়। আজকে সেই সাব-মার্সিবলের পানি ব্যবহার করে পুরো মার্কেট রক্ষা করা হয়েছে। তবু মার্কেটের সাতটি দোকানের ক্ষতি হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের কম করে হলেও ৫০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বিভাগীয় উপপরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন, ‘আজ সকাল ৮টার কিছু পরে আগুন লাগলেও আমরা সাড়ে ৮টার দিকে খবর পাই। পরে ৮টা ৫০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরু করি। সাড়ে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।’
উপপরিচালক আরও বলেন, নগরীর রাস্তা সরু এবং পানির ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সে বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা গাঙ্গিনারপাড় হকার্স মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ব্যবসায়ীদের তৎপরতা ও ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ নিয়ে বিগত পাঁচ বছরে হকার্স মার্কেটে তিনবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, ময়মনসিংহের হকার্স মার্কেটে জুতা, কাপড়, টেইলার্স, মেশিনারিজ যন্ত্রপাতিসহ মোট ১৩৮টি দোকান রয়েছে। ২০১৮ সালের ৭ জুন মাসে অগ্নিকাণ্ডে ১৩৮ দোকান পুড়ে যায়। এতে পথে বসতে হয় ব্যবসায়ীদের। এখনো পর্যন্ত অনেক ব্যবসায়ী পাঁচ বছর আগে নেওয়া ঋণ শোধ করতে পারেননি। কিছুদিন আগেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হকার্স মার্কেটের সামনের সাইকেলের দোকান সম্পন্ন পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে অন্য দোকানের খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আবারও শর্টসার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতটি দোকান পুড়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে পানি সংকট ও রাস্তা সরু থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে বিলাপ করতে করতে বুলবুল মেলার প্রোপ্রাইটর মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল। এখন আমাকে কে দেখবে? আল্লাহ ছাড়া আর কারও ওপর ভরসা করতে পারছি না। ২০১৮ সালে ঈদের আগে ১০ লাখ টাকা বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিয়ে দোকানে মাল তুলছিলাম। এরপর আগুনে পুড়ে সব শেষ হয়ে যায়। ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৬ লাখ টাকা শোধ করছি। আর ৪ লাখ টাকা এখনো দিতে পারিনি। এবার শীত সামনে রেখে দোকানে উন্নতমানের জুতা তুলছিলাম। আজ ১৮ লাখ টাকার মালামালসহ দোকান পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গেছে। আমি এখন কী করব, কার কাছে যাব ভেবে পাচ্ছি না।’
মহসিন টেইলার্সের পাপ্পু হোসেন রকি বলেন, ‘আমাদের টেইলার্সে গোডাউন ও মেশিনসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন আমাদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। একটার পর একটা দুর্ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে গেলাম। কোন পরীক্ষায় মাবুদ ফেলছেন তা জানি না।’
মার্কেটের ৯৩ ও ৮৭ দোকানের মালিক জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘আজ সকালে দারোয়ানের কল পেয়ে আমরা দুই ভাই দ্রুত চলে আসি। এসে দেখি আগুন জ্বলছে। পরে সাব-মার্সিবল চালু করে আমরাই আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি। পরে ফায়ার সার্ভিস এলে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কেন আমাদের বারবার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে তা বলতে পারছি না।’
ময়মনসিংহ হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল মোতালেব বলেন, হকার্স মার্কেটে ১৩৮টি দোকান রয়েছে। ২০১৮ সালে সব কটি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তখন ব্যবসায়ীরা সবাই ঈদের মার্কেট ধরার জন্য ধারদেনা করে দোকানে মাল তুলেছিলেন। সেই লোকসান এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁরা। প্রতিটা রাত-দিন এখনো তাঁদের আতঙ্কের মধ্যে কাটাতে হয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকে মার্কেটে একটি সাব-মার্সিবল বসানো হয়। আজকে সেই সাব-মার্সিবলের পানি ব্যবহার করে পুরো মার্কেট রক্ষা করা হয়েছে। তবু মার্কেটের সাতটি দোকানের ক্ষতি হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের কম করে হলেও ৫০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বিভাগীয় উপপরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন, ‘আজ সকাল ৮টার কিছু পরে আগুন লাগলেও আমরা সাড়ে ৮টার দিকে খবর পাই। পরে ৮টা ৫০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে শুরু করি। সাড়ে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।’
উপপরিচালক আরও বলেন, নগরীর রাস্তা সরু এবং পানির ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সে বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
২ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে