এম. কে. দোলন বিশ্বাস, ইসলামপুর (জামালপুর)

ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা। স্কুল ছুটির ঘণ্টা তখনো বাজেনি। কিন্তু শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখেন প্রায় সব কক্ষই ফাঁকা। শিক্ষার্থীদের খুঁজতে গিয়ে তাঁরা দেখেন, এরই মধ্যে বিদ্যালয় থেকে বাড়ির পথ ধরেছে শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থা দেখে বিপদে শিক্ষকেরা। যেখানে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় বিকেল ৪টা, আর দুপুর ১টায়ই শিক্ষার্থীরা নেই। তাহলে পাঠদান হবে কীভাবে! উপায় না দেখে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। তবু হলো না শেষ রক্ষা।
দীর্ঘদিন ধরে এমনই অদ্ভুত পরিস্থিতি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনার মধ্যবর্তী অঞ্চল সাপধরী ইউনিয়নের সাপধরী উচ্চ বিদ্যালয়ের। এখানে শিক্ষকদের ছুটি দেওয়ার অপেক্ষা না করেই বেলা ১টার দিকে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। কোনোভাবেই তাদের বিদ্যালয়ে রাখা সম্ভব হয় না।
পরে শিক্ষকেরা বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের ভবনে প্রবেশের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ভেতরে আটকে পড়ে শিক্ষার্থীরা। ফলে ছুটি হওয়ার আগে বিদ্যালয় ছেড়ে যেতে পারেনি তারা। এই পদ্ধতিও বিফলে যায়। শিক্ষার্থীরা হট্টগোল করায় শেষ পর্যন্ত বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ওই বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির তৃতীয় তলার প্রবেশ পথের দরজায় তালা ঝুলছে। তখন ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা ২০ মিনিট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার বারান্দায় শিক্ষার্থীরা হট্টগোল করছে। জানা গেল দুপুর ১টা বাজতে না বাজতেই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছেড়ে বাড়ি চলে যায়। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে শিক্ষকেরা ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে ৯৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে উপস্থিত ৪০ জন। কর্মরত চারজন শিক্ষকই উপস্থিত। তবে শিক্ষকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দশম শ্রেণির একাধিক ছাত্র জানায়, ‘দুপুর ১টায় আমাদের বিদ্যালয়টি ছুটি হয়। এটাই আমরা দেখে আসছি। কিন্তু আজ দুপুর ১টায় আমরা বের হতে গিয়ে দেখি ফটকে তালা ঝুলছে। এ বিষয়ে স্যারদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা আমাদের কোনো সদুত্তর দেননি। শুধু জানিয়েছেন, পরে ছুটি দেওয়া হবে। স্যারেরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না। এ কারণেই দুপুর ১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা চলে যাই।’
সাপধরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মানিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর ১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় থেকে চলে যায়। কোনোভাবেই তাদের বিদ্যালয়ে আটকানো যায় না। এটা অনেক বছর ধরে চলে আসছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এতেও তাদের পাঠদান দেওয়া যায়নি। হট্টগোল করায় শেষ পর্যন্ত তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৩ জন শিক্ষকের স্থলে মাত্র চারজন শিক্ষক দিয়ে কোনোমতে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরা শূন্য পদের চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি। আসছে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমদিকে তিনজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে যোগদানের কথা রয়েছে। শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ হলেই সমস্যা কেটে যাবে।’

ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা। স্কুল ছুটির ঘণ্টা তখনো বাজেনি। কিন্তু শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখেন প্রায় সব কক্ষই ফাঁকা। শিক্ষার্থীদের খুঁজতে গিয়ে তাঁরা দেখেন, এরই মধ্যে বিদ্যালয় থেকে বাড়ির পথ ধরেছে শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থা দেখে বিপদে শিক্ষকেরা। যেখানে শিক্ষার্থীদের ছুটির সময় বিকেল ৪টা, আর দুপুর ১টায়ই শিক্ষার্থীরা নেই। তাহলে পাঠদান হবে কীভাবে! উপায় না দেখে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। তবু হলো না শেষ রক্ষা।
দীর্ঘদিন ধরে এমনই অদ্ভুত পরিস্থিতি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনার মধ্যবর্তী অঞ্চল সাপধরী ইউনিয়নের সাপধরী উচ্চ বিদ্যালয়ের। এখানে শিক্ষকদের ছুটি দেওয়ার অপেক্ষা না করেই বেলা ১টার দিকে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। কোনোভাবেই তাদের বিদ্যালয়ে রাখা সম্ভব হয় না।
পরে শিক্ষকেরা বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের ভবনে প্রবেশের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ভেতরে আটকে পড়ে শিক্ষার্থীরা। ফলে ছুটি হওয়ার আগে বিদ্যালয় ছেড়ে যেতে পারেনি তারা। এই পদ্ধতিও বিফলে যায়। শিক্ষার্থীরা হট্টগোল করায় শেষ পর্যন্ত বিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ওই বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির তৃতীয় তলার প্রবেশ পথের দরজায় তালা ঝুলছে। তখন ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ১টা ২০ মিনিট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার বারান্দায় শিক্ষার্থীরা হট্টগোল করছে। জানা গেল দুপুর ১টা বাজতে না বাজতেই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছেড়ে বাড়ি চলে যায়। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে শিক্ষকেরা ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে ৯৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে উপস্থিত ৪০ জন। কর্মরত চারজন শিক্ষকই উপস্থিত। তবে শিক্ষকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দশম শ্রেণির একাধিক ছাত্র জানায়, ‘দুপুর ১টায় আমাদের বিদ্যালয়টি ছুটি হয়। এটাই আমরা দেখে আসছি। কিন্তু আজ দুপুর ১টায় আমরা বের হতে গিয়ে দেখি ফটকে তালা ঝুলছে। এ বিষয়ে স্যারদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা আমাদের কোনো সদুত্তর দেননি। শুধু জানিয়েছেন, পরে ছুটি দেওয়া হবে। স্যারেরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না। এ কারণেই দুপুর ১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা চলে যাই।’
সাপধরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মানিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর ১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় থেকে চলে যায়। কোনোভাবেই তাদের বিদ্যালয়ে আটকানো যায় না। এটা অনেক বছর ধরে চলে আসছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এতেও তাদের পাঠদান দেওয়া যায়নি। হট্টগোল করায় শেষ পর্যন্ত তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৩ জন শিক্ষকের স্থলে মাত্র চারজন শিক্ষক দিয়ে কোনোমতে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরা শূন্য পদের চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি। আসছে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমদিকে তিনজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে যোগদানের কথা রয়েছে। শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ হলেই সমস্যা কেটে যাবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। একই সঙ্গে সম্প্রতি তিন শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম...
২ মিনিট আগে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক...
৩২ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
৪৩ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
১ ঘণ্টা আগে