হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাহাড়ের ঢালে বসতভিটায় হানা দিয়েছে বন্য হাতির পাল। দলটি ঘর ভেঙে সেখানে থাকা ধান-চাল খেয়েছে ও আসবাব তছনছ করেছে। উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জখমকুড়া এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সীমান্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০টি হাতির একটি পাল। এগুলো প্রায়ই মহিষলেটি, জখমকুড়া ও কড়ইতলী পাহাড়ের ঢালে লোকালয়ে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালাচ্ছে।
গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে পালটি জঙ্গল ছেড়ে জখমকুড়ায় পাহাড়ের ঢালে নেমে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু বন বিভাগের কর্মী, এলাকাবাসী ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা রাত ১১টা পর্যন্ত মশাল জ্বালিয়ে ও হইহুল্লোড় করে দলটিকে বাতকুচি জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেন। মধ্যরাতে বৃষ্টি হলে লোকজন বাড়ি চলে যান। তখন হাতিগুলো পুনরায় ফিরে এসে জখমকুড়ায় হানা দেয়। হাতির আক্রমণের ভয়ে বাড়িঘরের লোকজন নিরাপদ দূরত্বে সরে পড়েন। এ সময় চার-ছয়টি ঘরে হামলা চালিয়ে শেষরাতে দলটি বাতকুচি জঙ্গলে ফিরে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত মেরিসন দিও আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাতের বেলা কয়েকটি হাতি খাবারের সন্ধানে নেমে আসে। পরে বসতঘর ও আসবাব ভেঙে তছনছ এবং ঘরে থাকা ধান-চাল খেয়ে সাবাড় করেছে। আমরা এখন চলব কীভাবে?’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু তাহের বলেন, ‘হাতির পালটি ছয়টি পরিবারের ঘরে আক্রমণ চালায়। চারটি পরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা সঠিক সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কড়ইতলী পার্কে হানা দেয় হাতির পাল। এ সময় ১৫-২০টি হাতি পার্কের ভেতরে রেস্তোরাঁয় ঢুকে খাবার খেয়ে ফেলে এবং টেবিল-চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করে। এ ছাড়া পার্কের ভেতরে কৃত্রিমভাবে তৈরি বিভিন্ন স্থাপনা তছনছ করে।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাহাড়ের ঢালে বসতভিটায় হানা দিয়েছে বন্য হাতির পাল। দলটি ঘর ভেঙে সেখানে থাকা ধান-চাল খেয়েছে ও আসবাব তছনছ করেছে। উপজেলার ভুবনকুড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জখমকুড়া এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সীমান্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০টি হাতির একটি পাল। এগুলো প্রায়ই মহিষলেটি, জখমকুড়া ও কড়ইতলী পাহাড়ের ঢালে লোকালয়ে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালাচ্ছে।
গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে পালটি জঙ্গল ছেড়ে জখমকুড়ায় পাহাড়ের ঢালে নেমে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু বন বিভাগের কর্মী, এলাকাবাসী ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা রাত ১১টা পর্যন্ত মশাল জ্বালিয়ে ও হইহুল্লোড় করে দলটিকে বাতকুচি জঙ্গলের দিকে ফিরিয়ে দেন। মধ্যরাতে বৃষ্টি হলে লোকজন বাড়ি চলে যান। তখন হাতিগুলো পুনরায় ফিরে এসে জখমকুড়ায় হানা দেয়। হাতির আক্রমণের ভয়ে বাড়িঘরের লোকজন নিরাপদ দূরত্বে সরে পড়েন। এ সময় চার-ছয়টি ঘরে হামলা চালিয়ে শেষরাতে দলটি বাতকুচি জঙ্গলে ফিরে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত মেরিসন দিও আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাতের বেলা কয়েকটি হাতি খাবারের সন্ধানে নেমে আসে। পরে বসতঘর ও আসবাব ভেঙে তছনছ এবং ঘরে থাকা ধান-চাল খেয়ে সাবাড় করেছে। আমরা এখন চলব কীভাবে?’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু তাহের বলেন, ‘হাতির পালটি ছয়টি পরিবারের ঘরে আক্রমণ চালায়। চারটি পরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা সঠিক সমাধান চাই।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বন বিভাগের গোপালপুর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কড়ইতলী পার্কে হানা দেয় হাতির পাল। এ সময় ১৫-২০টি হাতি পার্কের ভেতরে রেস্তোরাঁয় ঢুকে খাবার খেয়ে ফেলে এবং টেবিল-চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করে। এ ছাড়া পার্কের ভেতরে কৃত্রিমভাবে তৈরি বিভিন্ন স্থাপনা তছনছ করে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে