ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলায় কারাগারে থাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মনিরুজ্জামান নাবিল তাঁর স্ত্রীর ওপর পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৫ মাসের শিশুপুত্রকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন নির্যাতিত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাননি সুমাইয়া।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার জানান, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বিরাশি গ্রামের রুহুল আমীনের মেয়ে তিনি। ২০২২ সালে সুমাইয়াকে একই উপজেলার কলাকান্দা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান বিয়ে করেন। তিনি সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনে কর্মরত। বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের যৌতুক দিয়েছিলেন সুমাইয়ার বাবা। পরে আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করেন স্বামী মনির। এ নিয়ে চলতে থাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।
নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকায় ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তাগাছা থানায় মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন সুমাইয়া। পরে ওই দিনই পুলিশ মনিরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কারাগারে পাঠায়।
সুমাইয়া বলেন, ‘কারাগারে থেকেও স্বজনদের মাধ্যমে আমাকে মামলা তুলে নিতে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে মনির। আমি এখন ৫ মাসের সন্তান নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’
সুমাইয়া জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি লিখিতভাবে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ আকারে উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু তাতে কোনো প্রতিকার মিলছে না।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানের বাবা মজিবুর রহমানের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মাসুদ সরদার বলেন, তাঁকে হুমকি দিলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে পারেন। অন্যথায় কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ না পাঠিয়ে ডাকযোগে সরাসরি পাঠাতে পারেন। তাহলে ভুক্তভোগী প্রতিকার পাবেন বলে আশা করি।

যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলায় কারাগারে থাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মনিরুজ্জামান নাবিল তাঁর স্ত্রীর ওপর পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নিয়মিত হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৫ মাসের শিশুপুত্রকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন নির্যাতিত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাননি সুমাইয়া।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার জানান, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বিরাশি গ্রামের রুহুল আমীনের মেয়ে তিনি। ২০২২ সালে সুমাইয়াকে একই উপজেলার কলাকান্দা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান বিয়ে করেন। তিনি সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনে কর্মরত। বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের যৌতুক দিয়েছিলেন সুমাইয়ার বাবা। পরে আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করেন স্বামী মনির। এ নিয়ে চলতে থাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।
নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকায় ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তাগাছা থানায় মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন সুমাইয়া। পরে ওই দিনই পুলিশ মনিরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ কারাগারে পাঠায়।
সুমাইয়া বলেন, ‘কারাগারে থেকেও স্বজনদের মাধ্যমে আমাকে মামলা তুলে নিতে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে মনির। আমি এখন ৫ মাসের সন্তান নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’
সুমাইয়া জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি লিখিতভাবে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ আকারে উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু তাতে কোনো প্রতিকার মিলছে না।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানের বাবা মজিবুর রহমানের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মাসুদ সরদার বলেন, তাঁকে হুমকি দিলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে পারেন। অন্যথায় কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ না পাঠিয়ে ডাকযোগে সরাসরি পাঠাতে পারেন। তাহলে ভুক্তভোগী প্রতিকার পাবেন বলে আশা করি।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে