
মনে করুন, আপনার পরিচিত স্কুলপড়ুয়া মেয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী, মা–খালা–ফুফু এবং দাদী-নানী কারাগারে বন্দী। কারারক্ষীরা তাদের স্রেফ পাজামা পরা অবস্থায় উপুড় করে শুইয়ে রেখেছে এবং তাদের হাত পেছনে বাঁধা। সামান্য নড়াচড়া করলেই কারারক্ষীরা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করছে। এমন দৃশ্য একবার দেখলে কী আপনি ভুলতে

গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১৯০ জন নারী এবং কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপপরিষদের সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, এই ১৯০ জনের মধ্যে নারী ১১৯ এবং কন্যাশিশু ৭১।

দেশে চলতি মার্চে ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এ মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫৭ জন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন-বিষয়ক মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ১৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতি মাসে এ প্রতিবেদন তৈরি করে মহিলা পরিষদ।

প্রবাসী আয়ে অবদান রাখছেন নারীরাও। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ নারীকর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মরত। তাঁদের অর্ধেকই আছেন সৌদি আরবে। পরিবারে সচ্ছলতা আনতে বিদেশে যাওয়া এই নারীদের অনেকে প্রতারণা, মানব পাচারসহ শারীরিক-মানসিক-যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।