মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে ‘পুশ ইন’ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বৃহস্পতিবার অনুপ্রবেশের দায়ে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জানা গেছে, জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্ত দিয়ে ১৫ জন, পাল্লাতল ও লাতু সীমান্ত দিয়ে ৫৫-৫৮ জন ও কুলাউড়ার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ২৫-৩০ জন অনুপ্রবেশ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। কমলগঞ্জের ধলই সীমান্তে ১৫ জন আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৩ নারী ও ৩টি শিশু রয়েছে। এদিকে মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে আসা অনেকে বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
ধলই সীমান্তে আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, পাঁচ বছর ধরে তাঁরা ভারতের আসামে বসবাস করেছেন। হঠাৎ পুলিশ তাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়ে হেলিকপ্টারে করে ত্রিপুরার মানিক ভান্ডার এলাকায় নিয়ে এসে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। তাঁদের বাড়ি নড়াইল, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বলে দাবি করেছেন তাঁরা।
আটক ব্যক্তিরা আরও জানান, তাঁদের সঙ্গে অনেকে ছিল। এই সংখ্যা তিন শতাধিক হবে। বিএসএফ তাঁদের কয়েকজনকে ধলই সীমান্ত দিয়ে গেট খুলে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়। অন্যদের কোন সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁরা কিছু বলতে পারেননি।
জানতে চাইলে মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত নারী সদস্য বিনা রানী দেব আজকের পত্রিকাকে জানান, ধলই সীমান্তে আটক লোকদের প্রথমে বিজিবি ক্যাম্প থেকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে তোলার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে তাঁদের আর থানায় নেওয়া হয়নি।
মাধবপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শীব নারায়ণ শীল বলেন, বিএসএফ ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে। বিজিবি তাদের আটক করে নিয়ে গেছে। এদিকে সীমান্তে অনুপ্রবেশের জন্য অনেক লোক জড়ো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘লাতু সীমান্ত থেকে ৩২ জনকে শ্রমিকেরা আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ছাড়া পাল্লাতাল সীমান্ত দিয়ে শুনেছি আরও ২৩ জন এসেছে।’
কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ‘আমরা শুনেছি, মুরইছড়া সীমান্তবর্তী পাহাড় দিয়ে ২৫-৩০ জন এসেছে। কেউ নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারছে না। সিসিটিভি ক্যামেরায় এক জায়গায় আমরা চারজনকে দেখেছি।’
এ বিষয়ে ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাকারিয়া বলেন, আটক ব্যক্তিরা সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলছে। যাচাই-বাছাই করে তাদের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর মৌলভীবাজার জেলার সব সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ‘আমরা শুনেছি, মুরইছড়া সীমান্তবর্তী পাহাড় দিয়ে ২৫-৩০ জন এসেছে। কেউ নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারছে না। সিসিটিভি ক্যামেরায় এক জায়গায় আমরা চারজনকে দেখেছি।’

মৌলভীবাজারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে শতাধিক ব্যক্তিকে ‘পুশ ইন’ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বৃহস্পতিবার অনুপ্রবেশের দায়ে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জানা গেছে, জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্ত দিয়ে ১৫ জন, পাল্লাতল ও লাতু সীমান্ত দিয়ে ৫৫-৫৮ জন ও কুলাউড়ার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ২৫-৩০ জন অনুপ্রবেশ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। কমলগঞ্জের ধলই সীমান্তে ১৫ জন আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৩ নারী ও ৩টি শিশু রয়েছে। এদিকে মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে আসা অনেকে বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
ধলই সীমান্তে আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, পাঁচ বছর ধরে তাঁরা ভারতের আসামে বসবাস করেছেন। হঠাৎ পুলিশ তাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়ে হেলিকপ্টারে করে ত্রিপুরার মানিক ভান্ডার এলাকায় নিয়ে এসে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। তাঁদের বাড়ি নড়াইল, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বলে দাবি করেছেন তাঁরা।
আটক ব্যক্তিরা আরও জানান, তাঁদের সঙ্গে অনেকে ছিল। এই সংখ্যা তিন শতাধিক হবে। বিএসএফ তাঁদের কয়েকজনকে ধলই সীমান্ত দিয়ে গেট খুলে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়। অন্যদের কোন সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁরা কিছু বলতে পারেননি।
জানতে চাইলে মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত নারী সদস্য বিনা রানী দেব আজকের পত্রিকাকে জানান, ধলই সীমান্তে আটক লোকদের প্রথমে বিজিবি ক্যাম্প থেকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে তোলার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে তাঁদের আর থানায় নেওয়া হয়নি।
মাধবপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শীব নারায়ণ শীল বলেন, বিএসএফ ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে। বিজিবি তাদের আটক করে নিয়ে গেছে। এদিকে সীমান্তে অনুপ্রবেশের জন্য অনেক লোক জড়ো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘লাতু সীমান্ত থেকে ৩২ জনকে শ্রমিকেরা আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ছাড়া পাল্লাতাল সীমান্ত দিয়ে শুনেছি আরও ২৩ জন এসেছে।’
কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ‘আমরা শুনেছি, মুরইছড়া সীমান্তবর্তী পাহাড় দিয়ে ২৫-৩০ জন এসেছে। কেউ নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারছে না। সিসিটিভি ক্যামেরায় এক জায়গায় আমরা চারজনকে দেখেছি।’
এ বিষয়ে ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাকারিয়া বলেন, আটক ব্যক্তিরা সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলছে। যাচাই-বাছাই করে তাদের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর মৌলভীবাজার জেলার সব সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হেলাল আহমদ বলেন, ‘আমরা শুনেছি, মুরইছড়া সীমান্তবর্তী পাহাড় দিয়ে ২৫-৩০ জন এসেছে। কেউ নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে পারছে না। সিসিটিভি ক্যামেরায় এক জায়গায় আমরা চারজনকে দেখেছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে