
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি তরুণ মো. তারা মিয়ার (১৯) মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠকের পর ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া থানা-পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এ সময় নিহতের বড়ভাই রাজু মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন।
নিহত তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে।
কুলাউড়া থানার পুলিশ ও বিজিবির সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তরের জন্য চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় পতাকা বৈঠক হয়।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, দুই দেশের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীর পুলিশ কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে নিহতের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাতে তারা মিয়াসহ ৪-৫ বাংলাদেশি যুবক অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফের টহল দল তাঁদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এসব দাবি তুলে...
১৫ মিনিট আগে
সাভারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিটি ইউনিভার্সিটির একটি শিক্ষার্থীবাহী বাসের স্টাফ ও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় যাঁরা লোকজন ও ভারী যন্ত্রপাতি ভাড়া করতে অর্থায়ন করেছেন এবং ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত প্রায় ৪০ জনের একটি তালিকা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাজানো-গোছানো সংসার ছিল ক্ষুদিরাম-চিত্রা বিশ্বাস দম্পতির। ঘরের আসবাব থেকে শুরু করে স্বপ্নের বসতভিটা—সবই এখন পানির নিচে। নিজের ঘর ছেড়ে গৃহপালিত পশু সঙ্গে নিয়ে এই সড়কের পাশেই আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। এক-দুই দিন নয়, দীর্ঘ চার মাস এভাবেই কাটছে তাঁদের যাযাবর জীবন।
২ ঘণ্টা আগে