
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের হকতিয়ারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষক বৃন্দারাণী সিনহা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মণিপুরী ভাষায় স্কুল পরিচালনা করে আসছেন প্রায় তিন বছর ধরে। উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে হকতিয়ারখোলায় নিজ বাড়িতে এই স্কুল স্থাপন পরিচালনা করেন তিনি।
জানা যায়, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে হরেক রকমের ভাষা ব্যবহার করলেও বেশির ভাগেরই নিজস্ব বর্ণমালার সঙ্গে কোন পরিচয় নেই। এই ভাবনা থেকে বৃন্দারাণী সিনহা ২০১৯ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে মণিপুরী ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মণিপুরী ভাষা চর্চা, বর্ণমালা, শব্দ ও বাক্যগঠন শেখানোর পাশাপাশি নৈতিকতা ও ধর্মীয় রীতিনীতি শিক্ষা দেন শিক্ষার্থীদের। এ ছাড়া নিজ পরিবার ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সব সময়ই উৎসাহ দিয়ে আসছেন।
মণিপুরী ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিষয়ে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বৃন্দারাণী সিনহার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, তাঁর স্বামী শুকময় সিংহের সঙ্গে আলোচনা করে ২০১৯ সালে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেন মণিপুরীরা নিজস্ব ভাষায় কথা বললেও বর্তমান প্রজন্মের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই মণিপুরী বর্ণমালার সঙ্গে পরিচয় নেই। তাই বাংলা ভাষার পাশাপাশি বাচ্চারা নিজস্ব বর্ণমালার লিখিত রূপ শিখতে পারবে। বর্তমানে তাঁর এই ভাষা শেখার স্কুলে ২৬ জন শিক্ষার্থী আছেন। তাঁদেরকে প্রতি শুক্রবারের একটি নির্ধারিত ক্লাস নেওয়া হয়। নতুন করে কিছু শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার কথা জানালেন তিনি।
হকতিয়ারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন মণিপুরী ভাষা স্কুল পরিদর্শন করে বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বর্ণমালা সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করা বেশ জরুরি। নয়তো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব বর্ণমালা আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের হকতিয়ারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষক বৃন্দারাণী সিনহা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মণিপুরী ভাষায় স্কুল পরিচালনা করে আসছেন প্রায় তিন বছর ধরে। উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে হকতিয়ারখোলায় নিজ বাড়িতে এই স্কুল স্থাপন পরিচালনা করেন তিনি।
জানা যায়, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষেরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে হরেক রকমের ভাষা ব্যবহার করলেও বেশির ভাগেরই নিজস্ব বর্ণমালার সঙ্গে কোন পরিচয় নেই। এই ভাবনা থেকে বৃন্দারাণী সিনহা ২০১৯ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে মণিপুরী ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মণিপুরী ভাষা চর্চা, বর্ণমালা, শব্দ ও বাক্যগঠন শেখানোর পাশাপাশি নৈতিকতা ও ধর্মীয় রীতিনীতি শিক্ষা দেন শিক্ষার্থীদের। এ ছাড়া নিজ পরিবার ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সব সময়ই উৎসাহ দিয়ে আসছেন।
মণিপুরী ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিষয়ে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বৃন্দারাণী সিনহার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, তাঁর স্বামী শুকময় সিংহের সঙ্গে আলোচনা করে ২০১৯ সালে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেন মণিপুরীরা নিজস্ব ভাষায় কথা বললেও বর্তমান প্রজন্মের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই মণিপুরী বর্ণমালার সঙ্গে পরিচয় নেই। তাই বাংলা ভাষার পাশাপাশি বাচ্চারা নিজস্ব বর্ণমালার লিখিত রূপ শিখতে পারবে। বর্তমানে তাঁর এই ভাষা শেখার স্কুলে ২৬ জন শিক্ষার্থী আছেন। তাঁদেরকে প্রতি শুক্রবারের একটি নির্ধারিত ক্লাস নেওয়া হয়। নতুন করে কিছু শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার কথা জানালেন তিনি।
হকতিয়ারখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক স্বপন মণিপুরী ভাষা স্কুল পরিদর্শন করে বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বর্ণমালা সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করা বেশ জরুরি। নয়তো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব বর্ণমালা আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে