শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি

আগামী ২০ অক্টোবর থেকে সারা দেশেই পালিত হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মণ্ডপগুলোতে এখনো প্রতিমা তৈরি ও অলংকরণের কাজ চললেও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি মণ্ডপে শুরু হয়েছে পূজাপালন। বৈদিক রীতি অনুযায়ী দেবী দুর্গার ৯টি রূপের পৃথক পৃথক প্রতিমা তৈরি করে, ৯ দিনব্যাপী পূজা শুরু হয়েছে ওই মণ্ডপে।
আজ রোববার শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও ইউনিয়নের ইছামতি চা বাগানের মঙ্গলচন্ডির থলিতে শুরু হয়েছে এই পূজা।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূজায় অংশ নিতে দেখতে ওই মণ্ডপে ভিড় করছেন পুণ্যার্থীরা। ঢাকের বাদ্যে মুখরিত হয়ে উঠেছে মণ্ডপ।
হবিগঞ্জ থেকে এই মন্দিরে আসা ভক্ত রীনা রানী দেব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই মণ্ডপটি খুবই জাগ্রত। এটি প্রায় ৫ শ’ বছরের পুরোনো দেবস্থলী। এখানে একমনে মা দুর্গার কাছে কিছু চাইলে ফল পাওয়া যায়।’
এ পূজার প্রধান পুরোহিত দীপংকর ভট্টাচার্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ রোববার দেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার হবে ব্রহ্মচারীনি রূপে, এরপর চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কাল রাত্রি, মহা গৌরী, সিদ্ধিদাত্রী রূপে ৯ দিনব্যাপী পূজার্চনা হবে। দশমীর দিন হবে বিসর্জন।’
এ বিষয়ে নবদুর্গা পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক জানান, বিগত ১৪ বছর ধরে শ্রীমঙ্গলের প্রাচীন দেবস্থলী শ্রী শ্রী মঙ্গল চন্ডীর থলিতে এ আয়োজন করা হয়। এই মণ্ডপে প্রতিদিন মানুষের মধ্যে সৃষ্ট আসুরিক শক্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি কামনায় দেবী দুর্গার কাছে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, শ্রীমঙ্গলের প্রত্যেকটি পূজামণ্ডপে সাদা পোশাকে একজন পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) ও একজন আনসার সদস্য সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের একমাত্র এই মণ্ডপেই দেবী দুর্গার ৯টি রূপে আড়ম্বরপূর্ণ পূজার আয়োজন করা হয়। তাই এখানে সারা দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়। এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি জোরদার রয়েছে।

আগামী ২০ অক্টোবর থেকে সারা দেশেই পালিত হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মণ্ডপগুলোতে এখনো প্রতিমা তৈরি ও অলংকরণের কাজ চললেও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি মণ্ডপে শুরু হয়েছে পূজাপালন। বৈদিক রীতি অনুযায়ী দেবী দুর্গার ৯টি রূপের পৃথক পৃথক প্রতিমা তৈরি করে, ৯ দিনব্যাপী পূজা শুরু হয়েছে ওই মণ্ডপে।
আজ রোববার শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও ইউনিয়নের ইছামতি চা বাগানের মঙ্গলচন্ডির থলিতে শুরু হয়েছে এই পূজা।
সরেজমিনে দেখা যায়, পূজায় অংশ নিতে দেখতে ওই মণ্ডপে ভিড় করছেন পুণ্যার্থীরা। ঢাকের বাদ্যে মুখরিত হয়ে উঠেছে মণ্ডপ।
হবিগঞ্জ থেকে এই মন্দিরে আসা ভক্ত রীনা রানী দেব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই মণ্ডপটি খুবই জাগ্রত। এটি প্রায় ৫ শ’ বছরের পুরোনো দেবস্থলী। এখানে একমনে মা দুর্গার কাছে কিছু চাইলে ফল পাওয়া যায়।’
এ পূজার প্রধান পুরোহিত দীপংকর ভট্টাচার্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ রোববার দেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার হবে ব্রহ্মচারীনি রূপে, এরপর চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কাল রাত্রি, মহা গৌরী, সিদ্ধিদাত্রী রূপে ৯ দিনব্যাপী পূজার্চনা হবে। দশমীর দিন হবে বিসর্জন।’
এ বিষয়ে নবদুর্গা পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক জানান, বিগত ১৪ বছর ধরে শ্রীমঙ্গলের প্রাচীন দেবস্থলী শ্রী শ্রী মঙ্গল চন্ডীর থলিতে এ আয়োজন করা হয়। এই মণ্ডপে প্রতিদিন মানুষের মধ্যে সৃষ্ট আসুরিক শক্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি কামনায় দেবী দুর্গার কাছে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, শ্রীমঙ্গলের প্রত্যেকটি পূজামণ্ডপে সাদা পোশাকে একজন পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) ও একজন আনসার সদস্য সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের একমাত্র এই মণ্ডপেই দেবী দুর্গার ৯টি রূপে আড়ম্বরপূর্ণ পূজার আয়োজন করা হয়। তাই এখানে সারা দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়। এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি জোরদার রয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৬ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে