
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী চেষ্টা চালিয়ে তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলেন। আজ শনিবার উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সনজিত কুমার দাস উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণভাগ গ্রামের বাসিন্দা ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক।
সনজিত কুমার দাস অভিযোগ করেন, আজ ভোরে দুর্বৃত্তরা তাঁর বসতঘরসংলগ্ন গ্যারেজে থাকা ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করে। মুহূর্তেই গাড়িটি আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এ সময় আগুন পাশের বসতঘরের দিকে ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও প্রতিবেশীরা তা নিভিয়ে ফেলেন। এতে বসতঘরটি রক্ষা পায়। ট্রাকটি পুড়ে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর আগে গত ১০ আগস্ট রাতে গ্যারেজ থেকে ৪০০ কেজি রড চুরি হয়। ৮ অক্টোবর রাতে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ৬০–৭০ হাজার টাকার মাছ মেরে ফেলা হয়। এর দুই দিন পর (১০ অক্টোবর) বসতঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসব ব্যাপারে আজ তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে বড়লেখা ফায়ার স্টেশন অফিসার মোল্লা শামীম আহমদ জানান, বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আজ ভোরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হন। কিন্তু, কাছাকাছি পৌঁছামাত্র ভুক্তভোগীর (সনজিত দাস) পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে, তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এরপর তাঁরা ফিরে যান। গ্যারেজে ট্রাক পুড়ার তথ্য তিনি দেননি।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) ফরিদ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঠিকাদার সনজিত দাসের বাড়িতে দুর্বৃত্তের অগ্নিসংযোগ বা ট্রাক পুড়ে যাওয়ার ও রড চুরির ঘটনা পুলিশকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী চেষ্টা চালিয়ে তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলেন। আজ শনিবার উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সনজিত কুমার দাস উপজেলার পূর্ব-দক্ষিণভাগ গ্রামের বাসিন্দা ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক।
সনজিত কুমার দাস অভিযোগ করেন, আজ ভোরে দুর্বৃত্তরা তাঁর বসতঘরসংলগ্ন গ্যারেজে থাকা ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করে। মুহূর্তেই গাড়িটি আগুনে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এ সময় আগুন পাশের বসতঘরের দিকে ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও প্রতিবেশীরা তা নিভিয়ে ফেলেন। এতে বসতঘরটি রক্ষা পায়। ট্রাকটি পুড়ে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর আগে গত ১০ আগস্ট রাতে গ্যারেজ থেকে ৪০০ কেজি রড চুরি হয়। ৮ অক্টোবর রাতে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ৬০–৭০ হাজার টাকার মাছ মেরে ফেলা হয়। এর দুই দিন পর (১০ অক্টোবর) বসতঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসব ব্যাপারে আজ তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে বড়লেখা ফায়ার স্টেশন অফিসার মোল্লা শামীম আহমদ জানান, বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আজ ভোরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হন। কিন্তু, কাছাকাছি পৌঁছামাত্র ভুক্তভোগীর (সনজিত দাস) পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে, তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এরপর তাঁরা ফিরে যান। গ্যারেজে ট্রাক পুড়ার তথ্য তিনি দেননি।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) ফরিদ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঠিকাদার সনজিত দাসের বাড়িতে দুর্বৃত্তের অগ্নিসংযোগ বা ট্রাক পুড়ে যাওয়ার ও রড চুরির ঘটনা পুলিশকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে