গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

পরিবারে সচ্ছলতা আনতে প্রায় সাত বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান মো. তোফাজ্জল হোসেন (৫৫)। কয়েক দিন আগে তিনি পরিবারকে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। গতকাল মঙ্গলবার রোজা রেখে কাজ করছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। এই অবস্থায় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন বলে সেখানকার সহকর্মীরা পরিবারকে জানিয়েছেন।
তোফাজ্জল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের ঝোড়াঘাট গ্রামের মৃত মো. আব্দুল মজিদের ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মালয়েশিয়ায় রোজা রেখে কর্মরত অবস্থায় তিনি মারা যান। তোফাজ্জল হোসেন ওই দেশের একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
তোফাজ্জল হোসেনের পরিবারের লোকজন জানান, অভাবের সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে অনেক বছর ধরে প্রবাসে অবস্থান করছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। গতকাল স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি। তাঁরা দাবি করেছেন তোফাজ্জল হোসেনের লাশ দ্রুত দেশে আনা হোক।
তোফাজ্জল হোসেনের ভাতিজা বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘আমার চাচা অনেক দিন দুবাই ও ব্রুনেইয়ে ছিলেন। এরপর তিনি মালয়েশিয়ায় যান, সেখানে প্রায় সাত বছর অবস্থান করছিলেন। কিন্তু প্রথম রোজার দিন হঠাৎ শুনতে পাই আমার চাচা স্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেছেন। সেখানে চাচার সহকর্মীরা তাঁর এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।’
বিপ্লব হোসেন আরও বলেন, ‘প্রথম রোজায় চাচা দেশে টাকা পাঠিয়ে একটি মাদ্রাসায় ইফতারির আয়োজন করেছিলেন। তিনিও রোজা রাখা অবস্থায় ছিলেন। চাচার সহকর্মীদের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রেখেছি, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব লাশ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমার চাচা বৈধ কাগজপত্র নিয়ে সেখানে ছিলেন। তাঁর পরও যদি কোনো কাগজপত্র লাগে তাহলে এখান থেকে পাঠাব। তবে কবে লাশ দেশে আসবে আমরা বুঝতে পারছি না।’
তোফাজ্জল হোসেনের বড় ভাই মরজেম আলী বলেন, ‘আমার ভাই পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর জন্য অনেক দিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি দেশে আসার কথা জানিয়েছিলেন। হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে আমরা হতবাক হয়ে গেছি। এখন শুধুই তাঁর লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।’
তোফাজ্জল হোসেনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান কমল। তিনি বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তাঁর লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে আমার কাছে এলে তা দিয়ে দেব।’

পরিবারে সচ্ছলতা আনতে প্রায় সাত বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান মো. তোফাজ্জল হোসেন (৫৫)। কয়েক দিন আগে তিনি পরিবারকে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। গতকাল মঙ্গলবার রোজা রেখে কাজ করছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। এই অবস্থায় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন বলে সেখানকার সহকর্মীরা পরিবারকে জানিয়েছেন।
তোফাজ্জল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের ঝোড়াঘাট গ্রামের মৃত মো. আব্দুল মজিদের ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মালয়েশিয়ায় রোজা রেখে কর্মরত অবস্থায় তিনি মারা যান। তোফাজ্জল হোসেন ওই দেশের একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
তোফাজ্জল হোসেনের পরিবারের লোকজন জানান, অভাবের সংসারে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে অনেক বছর ধরে প্রবাসে অবস্থান করছিলেন তোফাজ্জল হোসেন। গতকাল স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি। তাঁরা দাবি করেছেন তোফাজ্জল হোসেনের লাশ দ্রুত দেশে আনা হোক।
তোফাজ্জল হোসেনের ভাতিজা বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘আমার চাচা অনেক দিন দুবাই ও ব্রুনেইয়ে ছিলেন। এরপর তিনি মালয়েশিয়ায় যান, সেখানে প্রায় সাত বছর অবস্থান করছিলেন। কিন্তু প্রথম রোজার দিন হঠাৎ শুনতে পাই আমার চাচা স্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেছেন। সেখানে চাচার সহকর্মীরা তাঁর এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।’
বিপ্লব হোসেন আরও বলেন, ‘প্রথম রোজায় চাচা দেশে টাকা পাঠিয়ে একটি মাদ্রাসায় ইফতারির আয়োজন করেছিলেন। তিনিও রোজা রাখা অবস্থায় ছিলেন। চাচার সহকর্মীদের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রেখেছি, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব লাশ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমার চাচা বৈধ কাগজপত্র নিয়ে সেখানে ছিলেন। তাঁর পরও যদি কোনো কাগজপত্র লাগে তাহলে এখান থেকে পাঠাব। তবে কবে লাশ দেশে আসবে আমরা বুঝতে পারছি না।’
তোফাজ্জল হোসেনের বড় ভাই মরজেম আলী বলেন, ‘আমার ভাই পরিবারের সচ্ছলতা ফেরানোর জন্য অনেক দিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি দেশে আসার কথা জানিয়েছিলেন। হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে আমরা হতবাক হয়ে গেছি। এখন শুধুই তাঁর লাশের জন্য অপেক্ষা করছি।’
তোফাজ্জল হোসেনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমান কমল। তিনি বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তাঁর লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে আমার কাছে এলে তা দিয়ে দেব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে