Ajker Patrika

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা, সাভারে গ্রেপ্তার

সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 
আপডেট : ২২ মে ২০২৬, ১৯: ০৭
প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা, সাভারে গ্রেপ্তার
সাভার থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: আজকের পত্রিকা

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস), সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুনের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার উলাইল এলাকায়। তিনি বর্তমানে ঢাকার সাভারের জালেশ্বর এলাকার রাঢ়ীবাড়ী বি-ব্লকের একটি বাসায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাট ব্যবসার আড়ালে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, সাংবাদিক কিংবা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে অর্থ নেওয়া, নিয়োগ-বাণিজ্য এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি প্রতারণা করতেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ১৮ মে তিনি নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন করেন। এ সময় তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দেন।

বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবির একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সাভারের জালেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

অভিযানের সময় তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র, ‘প্রেস’ লেখা একটি জিপ গাড়ি, ‘আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ লেখা লিফলেট এবং জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত কিছু নথির ফটোকপি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম জানান, প্রতারণার কাজে মামুন একটি নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আগে চেক জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

বিপিসির প্রধান কার্যালয়: ৫০ কোটিতে ভবন তৈরির পর কার্যালয় যাচ্ছে ঢাকায়

রাতভর উত্তাল চট্টগ্রাম: পুলিশের পোশাক পরিয়ে সরানো হয় ধর্ষণে অভিযুক্তকে, রাখা হয়েছে কোথায়?

তথ্য গোপন করে ১৬ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের পদে বহাল তিনি

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: থাকছে না পোস্টার ও দলীয় প্রতীক, অক্টোবরে ভোটের প্রস্তুতি

চট্টগ্রামে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্তকে উদ্ধারে গিয়ে অবরুদ্ধ পুলিশ, টিয়ার শেল-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত