মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই মানিকগঞ্জে ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়ে শোভাযাত্রা করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্যাপন করা হয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিয়ে র্যালি করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন কারিগরি শিক্ষকেরা।
আজ রোববার সকাল ৮টায় মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজ থেকে তিনটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হেঁটে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জড়ো হন শিক্ষকেরা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) শুক্লা সরকার শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। এরপর শোভাযাত্রা আবার সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, শিবালয় সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কোকন চন্দ্র দেব, ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফারুক হোসেন প্রমুখ।
শহরের খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজের বাংলা বিভাগের সরকারি অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু তাঁর ফেসবুক ওয়ালে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, ‘এ নিছক বর্বরতা! এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর চলমান দাবদাহ উপেক্ষা করেই আজ থেকে খুলছে সব স্কুল–কলেজ। খোলার যুক্তি, লেখাপড়ার ক্ষতি না বাড়ানো। তাই যদি হয়, তবে কোন বিবেচনায় আজই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ পালনের জন্য এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামানো? রোদ যখন তাতিয়ে উঠতে শুরু করেছে, তখন মানিকগঞ্জের সকল সরকারি, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে তিন থেকে চার কিলোমিটার পথ হাঁটিয়ে র্যালি করে আবার নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে হবে। ঘামে ভেজা ইউনিফর্ম, মাথা, শরীর নিয়ে ওরা কী পারবে র্যালি শেষে ক্লাসে বসতে? পড়া হবে? ওহ্! তারও আলোচনা সভা আছে। পণ্ডিতজনেরা মূল্যবান বয়ান ঝাড়বেন তাতে। রোদ–গরমের কথা মাথায় রেখে এই দিবসটা কী কেবল আলোচনা সভাতেই শেষ করা যেত না? অবশ্যই যেত। কিন্তু কর্তারা তা বিবেচনাতেই নেননি। পরের পোলাপানতো!’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতারের মন্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের মতো মানিকগঞ্জে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে তিনটি সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক অংশ নেন।’

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই মানিকগঞ্জে ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়ে শোভাযাত্রা করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ উদ্যাপন করা হয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিয়ে র্যালি করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন কারিগরি শিক্ষকেরা।
আজ রোববার সকাল ৮টায় মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজ থেকে তিনটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হেঁটে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জড়ো হন শিক্ষকেরা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) শুক্লা সরকার শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। এরপর শোভাযাত্রা আবার সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, শিবালয় সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কোকন চন্দ্র দেব, ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফারুক হোসেন প্রমুখ।
শহরের খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজের বাংলা বিভাগের সরকারি অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু তাঁর ফেসবুক ওয়ালে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন, ‘এ নিছক বর্বরতা! এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর চলমান দাবদাহ উপেক্ষা করেই আজ থেকে খুলছে সব স্কুল–কলেজ। খোলার যুক্তি, লেখাপড়ার ক্ষতি না বাড়ানো। তাই যদি হয়, তবে কোন বিবেচনায় আজই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ পালনের জন্য এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামানো? রোদ যখন তাতিয়ে উঠতে শুরু করেছে, তখন মানিকগঞ্জের সকল সরকারি, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে তিন থেকে চার কিলোমিটার পথ হাঁটিয়ে র্যালি করে আবার নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে হবে। ঘামে ভেজা ইউনিফর্ম, মাথা, শরীর নিয়ে ওরা কী পারবে র্যালি শেষে ক্লাসে বসতে? পড়া হবে? ওহ্! তারও আলোচনা সভা আছে। পণ্ডিতজনেরা মূল্যবান বয়ান ঝাড়বেন তাতে। রোদ–গরমের কথা মাথায় রেখে এই দিবসটা কী কেবল আলোচনা সভাতেই শেষ করা যেত না? অবশ্যই যেত। কিন্তু কর্তারা তা বিবেচনাতেই নেননি। পরের পোলাপানতো!’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতারের মন্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
মানিকগঞ্জ সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের মতো মানিকগঞ্জে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে তিনটি সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক অংশ নেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে