ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চক মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকের (৪৩) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। তবে চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি রাজনীতিক প্রতিহিংসার শিকার।
এ ঘটনায় ঢাকার আশুলিয়া থানায় গত মঙ্গলবার মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। তবে মামলার বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় আসে আজ শনিবার।
অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম চক মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়নের চক হরিণচর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নারী দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা ও আশুলিয়া এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কাজের সুবাদে চক মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ৮ বছর আগে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে মোবাইল ফোনে তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলে। দীর্ঘ আলাপে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে তাঁরা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিতেন। গত এপ্রিল মাসে ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান চেয়ারম্যান শফিকুল। পরে ব্যক্তিগত ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তিনি। এরপর ভুক্তভোগী ওই নারী আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তাঁর সঙ্গে কোনো শারীরিক সম্পর্ক ছিল না।’ সেই সঙ্গে আপত্তিকর, ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর কথা অস্বীকার করেন তিনি।
এ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোমেনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে ওই নারী মামলা করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।’

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চক মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিকের (৪৩) বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। তবে চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি রাজনীতিক প্রতিহিংসার শিকার।
এ ঘটনায় ঢাকার আশুলিয়া থানায় গত মঙ্গলবার মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। তবে মামলার বিষয়টি এলাকায় আলোচনায় আসে আজ শনিবার।
অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম চক মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়নের চক হরিণচর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নারী দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা ও আশুলিয়া এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কাজের সুবাদে চক মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ৮ বছর আগে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে মোবাইল ফোনে তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলে। দীর্ঘ আলাপে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে তাঁরা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিতেন। গত এপ্রিল মাসে ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান চেয়ারম্যান শফিকুল। পরে ব্যক্তিগত ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তিনি। এরপর ভুক্তভোগী ওই নারী আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তাঁর সঙ্গে কোনো শারীরিক সম্পর্ক ছিল না।’ সেই সঙ্গে আপত্তিকর, ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর কথা অস্বীকার করেন তিনি।
এ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোমেনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে ওই নারী মামলা করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে