মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে চারজনকে হত্যার ঘটনায় প্রায় এক যুগ পর মামলা হয়েছে। এতে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মমতাজ বেগমকে প্রধান আসামি করে ৯০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৫০-৬০ জনকে।
গতকাল বুধবার জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল দের আদালতে নিহত নাসির উদ্দিনের ভাই মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগের ৫২ জন নেতা-কর্মী ও ৩৮ জন জন পুলিশ সদস্যের নাম রয়েছে।
মামলায় মমতাজ বেগম ছাড়া অন্যতম আসামিরা হলেন সিঙ্গাইর পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর মো. শাহজাহান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বলধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ খান, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান ওরফে ভিপি শহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নঈম মো. বাশার, পৌর কমিশনার আব্দুস সালাম খান, সমেজ উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রমেজ উদ্দিন প্রমুখ।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অন্যতম আসামি হচ্ছেন জেলায় তৎকালীন দায়িত্ব থাকা মানিকগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরুল ইসলাম; জেলার ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল আলম, মদন মোহন বণিক ও মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম; সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আদিল মাহমুদ, মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি মুসল্লিদের একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয় গোবিন্দলে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা দেশি-বিদেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে ওই মিছিলে হামলা চালায়। এতে গোবিন্দল গ্রামের নাসির উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, নাজিম উদ্দীন ও শাহ আলম নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক। ওই সময় হতাহতদের পরিবার সরকারি দলের দাপটে ও পুলিশের বাধায় মামলা করতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক সংসদ সদস্য ও সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত থেকে কোনো নির্দেশনা পেলে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে চারজনকে হত্যার ঘটনায় প্রায় এক যুগ পর মামলা হয়েছে। এতে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মমতাজ বেগমকে প্রধান আসামি করে ৯০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৫০-৬০ জনকে।
গতকাল বুধবার জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল দের আদালতে নিহত নাসির উদ্দিনের ভাই মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগের ৫২ জন নেতা-কর্মী ও ৩৮ জন জন পুলিশ সদস্যের নাম রয়েছে।
মামলায় মমতাজ বেগম ছাড়া অন্যতম আসামিরা হলেন সিঙ্গাইর পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মীর মো. শাহজাহান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বলধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ খান, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান ওরফে ভিপি শহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নঈম মো. বাশার, পৌর কমিশনার আব্দুস সালাম খান, সমেজ উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রমেজ উদ্দিন প্রমুখ।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অন্যতম আসামি হচ্ছেন জেলায় তৎকালীন দায়িত্ব থাকা মানিকগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরুল ইসলাম; জেলার ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিবুল আলম, মদন মোহন বণিক ও মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম; সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আদিল মাহমুদ, মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি মুসল্লিদের একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয় গোবিন্দলে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা দেশি-বিদেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে ওই মিছিলে হামলা চালায়। এতে গোবিন্দল গ্রামের নাসির উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, নাজিম উদ্দীন ও শাহ আলম নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক। ওই সময় হতাহতদের পরিবার সরকারি দলের দাপটে ও পুলিশের বাধায় মামলা করতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক সংসদ সদস্য ও সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আদালত থেকে কোনো নির্দেশনা পেলে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে