মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে থাকা পরিবারের এক সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর ছেলে জনি মিয়া মানিকগঞ্জ সদর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। এর আগে গত বুধবার ভোর ৪টার দিকে জেলা সদর উপজেলার শিববাড়ী গ্রামের মো. লাভলু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ঠিকাদার ব্যবসায়ী।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে ছয়জন ডাকাত বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়িতে ব্যবসায়ী লাভলু মিয়ার শ্যালিকা রুমা বেগম একাই ছিলেন। তারা রুমা বেগমকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে বাড়িতে থাকা প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
রুমা বেগম বলেন, ‘ভোর ৪টার দিকে ডাকাতদল বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। আমি বাড়িতে একাই ছিলাম। পরে আমার রুমে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছয়জন মুখোশধারী ডাকাত আমার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় তারা আমার দুলাভাই ও বোনকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। তারা আলমারি, খাট ও লকার ভেঙে ১২ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে যায়।’
ব্যবসায়ী লাভলু মিয়ার পুত্রবধূ ইসরাত জাহান তন্বী বলেন, ‘বুধবার আমাদের বিবাহবার্ষিকী ছিল। এ উপলক্ষে আমার শাশুড়ি ঢাকায় আমাদের বাসায় ছিলেন। বাসা খালি থাকবে এ কারণে খালাশাশুড়ি বাসায় একা ছিলেন। ডাকাতেরা আমার খালাশাশুড়িকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। ডাকাতির ঘটনাটি পরিকল্পিত।’
ভুক্তভোগী লাভলু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘থানায় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।’
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্ত চলমান।

মানিকগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বাড়িতে থাকা পরিবারের এক সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর ছেলে জনি মিয়া মানিকগঞ্জ সদর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন। এর আগে গত বুধবার ভোর ৪টার দিকে জেলা সদর উপজেলার শিববাড়ী গ্রামের মো. লাভলু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ঠিকাদার ব্যবসায়ী।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে ছয়জন ডাকাত বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়িতে ব্যবসায়ী লাভলু মিয়ার শ্যালিকা রুমা বেগম একাই ছিলেন। তারা রুমা বেগমকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে বাড়িতে থাকা প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
রুমা বেগম বলেন, ‘ভোর ৪টার দিকে ডাকাতদল বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। আমি বাড়িতে একাই ছিলাম। পরে আমার রুমে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছয়জন মুখোশধারী ডাকাত আমার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় তারা আমার দুলাভাই ও বোনকে অকথ্য ভাষায় গালি দেন। তারা আলমারি, খাট ও লকার ভেঙে ১২ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে যায়।’
ব্যবসায়ী লাভলু মিয়ার পুত্রবধূ ইসরাত জাহান তন্বী বলেন, ‘বুধবার আমাদের বিবাহবার্ষিকী ছিল। এ উপলক্ষে আমার শাশুড়ি ঢাকায় আমাদের বাসায় ছিলেন। বাসা খালি থাকবে এ কারণে খালাশাশুড়ি বাসায় একা ছিলেন। ডাকাতেরা আমার খালাশাশুড়িকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। ডাকাতির ঘটনাটি পরিকল্পিত।’
ভুক্তভোগী লাভলু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘থানায় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।’
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্ত চলমান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে