সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন যাঁকেই দেওয়া হোক, আমাকে বা অন্য কাউকে তাতে দুঃখ নেই। এমপি হওয়ার পর যদি ভালো কাজ করি, তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা আছে বলে মন্তব্য করছেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। তিনি বলেন, ‘যদি কাজে দুই নম্বরি, অবহেলা বা ফাঁকিবাজি করে থকি, সবই প্রধানমন্ত্রী জানেন। আমার সব আমলনামা তাঁর কাছে জমা।’
গতকাল শনিবার রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্র কমিটি গঠন ও কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য মমতাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে আরেকটা গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, সেটা হলো আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়েছেন। আগামী নির্বাচনে এই আসনে যাকেই নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হোক, উপজেলা আওয়ামী লীগকে ছাড়া কি কেউ নির্বাচন করতে পারবে? আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করবে অঙ্গসংগঠনগুলো। এটাই আমাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব।’
৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আল মামুনের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু নাঈম মো. বাশার, মোহাম্মদ জাহিদ খান, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ খান, উপদেষ্টা চাঁন মিয়া, ধল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
এ সময় জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারা খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগে সহসভাপতি রিয়াজুর ইসলাম, সানোয়ার হোসেন, আলমগীর বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল হক, মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম সানি, জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহা জাহান, ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ উপজেলা-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন যাঁকেই দেওয়া হোক, আমাকে বা অন্য কাউকে তাতে দুঃখ নেই। এমপি হওয়ার পর যদি ভালো কাজ করি, তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা আছে বলে মন্তব্য করছেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। তিনি বলেন, ‘যদি কাজে দুই নম্বরি, অবহেলা বা ফাঁকিবাজি করে থকি, সবই প্রধানমন্ত্রী জানেন। আমার সব আমলনামা তাঁর কাছে জমা।’
গতকাল শনিবার রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্র কমিটি গঠন ও কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য মমতাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে আরেকটা গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, সেটা হলো আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়েছেন। আগামী নির্বাচনে এই আসনে যাকেই নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হোক, উপজেলা আওয়ামী লীগকে ছাড়া কি কেউ নির্বাচন করতে পারবে? আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করবে অঙ্গসংগঠনগুলো। এটাই আমাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব।’
৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আল মামুনের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু নাঈম মো. বাশার, মোহাম্মদ জাহিদ খান, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ খান, উপদেষ্টা চাঁন মিয়া, ধল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
এ সময় জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারা খাতুন, উপজেলা আওয়ামী লীগে সহসভাপতি রিয়াজুর ইসলাম, সানোয়ার হোসেন, আলমগীর বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল হক, মোহাম্মদ কহিনুর ইসলাম সানি, জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহা জাহান, ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ উপজেলা-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে