মানিকগঞ্জ ও সাটুরিয়া প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় দুটি বেসরকারি কোম্পানি দেয়াল তুলে একটি পুরোনো রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গোলড়া গ্রামের এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তারা সড়কটি পুনরুদ্ধারের দাবিতে আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।
গোলড়ার শত শত মানুষ আজ বেলা ১১টার দিকে গ্রামের ওপর দিয়ে যাওয়া মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা অভিযুক্ত তারাসিমা অ্যাপারেলস ও পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের দুটি কোম্পানির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায়। তারা প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সড়কের দুই পাশে ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে রাতের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের হুঁশিয়ারি দিয়ে বিকেলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে সহযোগিতা না পাওয়ায় এবং এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তিন কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ।
সড়ক অবরোধ করা গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দুই কোম্পানির মাঝখানে থাকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতেন। কিন্তু ১০ বছর আগে সীমানা দেয়াল তুলে রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত শুক্রবার স্থানীয় লোকজন ওই দেয়াল ভেঙে রাস্তা উদ্ধার করেন। কিন্তু দুই দিনের মধ্যে পুনরায় দেয়াল নির্মাণ করে দেওয়া হয়। প্রায় শত বছরের পুরোনো সড়কটি বন্ধ হওয়ায় তাঁদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
এর প্রতিবাদে এবং রাস্তা পুনরুদ্ধারের দাবিতে আজ প্রথমে মানববন্ধন এবং পরে মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকার লোকজন। এতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রথমে গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপল চন্দ্র দাস, তারপর সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন ও থানার ওসি শাহীনুল ইসলাম এবং শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার ও আব্দুল ওয়ারেস ঘটনাস্থলে যান।

তাঁরা দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত সড়ক ছাড়তে আগ্রহ দেখাননি আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বক্তব্য দেন। একপর্যায়ে পুলিশ পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তিন কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার পর অবরোধকারীরা বুধবার রাত পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে সরে যান।
আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁদের দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও রাস্তায় নেমে কর্মসূচি পালন করবেন।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, তারাসিমা অ্যাপারেলস রাস্তা দিতে রাজি হয়েছে। অপর প্রতিষ্ঠান পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে কোনো ইতিবাচক ফল না পাওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের তিনজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় দুটি বেসরকারি কোম্পানি দেয়াল তুলে একটি পুরোনো রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গোলড়া গ্রামের এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তারা সড়কটি পুনরুদ্ধারের দাবিতে আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।
গোলড়ার শত শত মানুষ আজ বেলা ১১টার দিকে গ্রামের ওপর দিয়ে যাওয়া মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা অভিযুক্ত তারাসিমা অ্যাপারেলস ও পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের দুটি কোম্পানির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায়। তারা প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সড়কের দুই পাশে ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে রাতের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের হুঁশিয়ারি দিয়ে বিকেলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। অন্যদিকে সহযোগিতা না পাওয়ায় এবং এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তিন কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ।
সড়ক অবরোধ করা গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দুই কোম্পানির মাঝখানে থাকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতেন। কিন্তু ১০ বছর আগে সীমানা দেয়াল তুলে রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত শুক্রবার স্থানীয় লোকজন ওই দেয়াল ভেঙে রাস্তা উদ্ধার করেন। কিন্তু দুই দিনের মধ্যে পুনরায় দেয়াল নির্মাণ করে দেওয়া হয়। প্রায় শত বছরের পুরোনো সড়কটি বন্ধ হওয়ায় তাঁদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
এর প্রতিবাদে এবং রাস্তা পুনরুদ্ধারের দাবিতে আজ প্রথমে মানববন্ধন এবং পরে মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকার লোকজন। এতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রথমে গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপল চন্দ্র দাস, তারপর সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন ও থানার ওসি শাহীনুল ইসলাম এবং শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার ও আব্দুল ওয়ারেস ঘটনাস্থলে যান।

তাঁরা দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত সড়ক ছাড়তে আগ্রহ দেখাননি আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বক্তব্য দেন। একপর্যায়ে পুলিশ পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তিন কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার পর অবরোধকারীরা বুধবার রাত পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে সরে যান।
আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁদের দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও রাস্তায় নেমে কর্মসূচি পালন করবেন।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, তারাসিমা অ্যাপারেলস রাস্তা দিতে রাজি হয়েছে। অপর প্রতিষ্ঠান পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে কোনো ইতিবাচক ফল না পাওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের তিনজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে