মানিকগঞ্জের ঘিওর
মো. আব্দুর রাজ্জাক, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের ঘিওরে সরকারি প্রকল্পে বালু ভরাটের নামে নদীতে অবৈধভাবে খননযন্ত্র বসিয়ে বালু লুটের অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে। তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপটে খননযন্ত্রে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে অবাধে বালু লুট করছেন।
এদিকে বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে নদীতীরে অবস্থিত সরকারি স্থাপনাসহ বসতভিটা ও আবাদি জমি। অথচ স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
গত শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘিওর উপজেলার মাইলাগী আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন পুরোনো ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে দুটি খননযন্ত্র বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এই বালু তুলছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পিন্টু মিয়া। খননযন্ত্রের ওপর সাইনবোর্ড টাঙানো আছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘ঘিওরে সরকারি আইটি ভবনের জায়গা মাটি ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।’
জানতে চাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নদীতে বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের মাথা গোঁজার একমাত্র জায়গা এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটাও বর্ষা মৌসুমে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। আমাদের থাকার মতো কোনো জায়গা নাই বলে সরকার আমাদের এখানে থাকতে দিয়েছে। এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে মোট ৩৫টি ঘর রয়েছে। আমরা সবাই গরিব মানুষ, আমাদের এই থাকার জায়গা নদীতে ভেঙে গেলে থাকার কোনো জায়গা আর থাকবে না। কিন্তু কেউ এই বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।’

বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঘিওর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পিন্টু মিয়া বলেন, ‘জমির মালিকের কাছ থেকেই মাটি কিনেছি। খননযন্ত্র আমার ছিল। কাল থেকে কাটব না। আপনি আসেন, একসঙ্গে বসে একটু চা খাই, আর আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলি।’
এ বিষয়ে উপজেলার বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জান মানিক বলেন, ‘আমার বক্তব্য নিয়ে লাভ নেই। আপনি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা সুলতানা নাসরীন বলেন, ‘কোনো খননযন্ত্রের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের ঘিওরে সরকারি প্রকল্পে বালু ভরাটের নামে নদীতে অবৈধভাবে খননযন্ত্র বসিয়ে বালু লুটের অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে। তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপটে খননযন্ত্রে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে অবাধে বালু লুট করছেন।
এদিকে বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে নদীতীরে অবস্থিত সরকারি স্থাপনাসহ বসতভিটা ও আবাদি জমি। অথচ স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
গত শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘিওর উপজেলার মাইলাগী আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন পুরোনো ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে দুটি খননযন্ত্র বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এই বালু তুলছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পিন্টু মিয়া। খননযন্ত্রের ওপর সাইনবোর্ড টাঙানো আছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘ঘিওরে সরকারি আইটি ভবনের জায়গা মাটি ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।’
জানতে চাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নদীতে বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের মাথা গোঁজার একমাত্র জায়গা এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটাও বর্ষা মৌসুমে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। আমাদের থাকার মতো কোনো জায়গা নাই বলে সরকার আমাদের এখানে থাকতে দিয়েছে। এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে মোট ৩৫টি ঘর রয়েছে। আমরা সবাই গরিব মানুষ, আমাদের এই থাকার জায়গা নদীতে ভেঙে গেলে থাকার কোনো জায়গা আর থাকবে না। কিন্তু কেউ এই বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।’

বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে ঘিওর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পিন্টু মিয়া বলেন, ‘জমির মালিকের কাছ থেকেই মাটি কিনেছি। খননযন্ত্র আমার ছিল। কাল থেকে কাটব না। আপনি আসেন, একসঙ্গে বসে একটু চা খাই, আর আপনার সঙ্গে সরাসরি কথা বলি।’
এ বিষয়ে উপজেলার বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জান মানিক বলেন, ‘আমার বক্তব্য নিয়ে লাভ নেই। আপনি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা সুলতানা নাসরীন বলেন, ‘কোনো খননযন্ত্রের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভারত থেকে কারাভোগ শেষে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধীন চাড়ালডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
২৪ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে