রাজবাড়ী প্রতিনিধি

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করলেও ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল কম।
আজ মঙ্গলবার সকালে ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যানজট না থাকায় নেই ভোগান্তিও। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রী ও যানবাহন নির্বিঘ্নে ফেরি পার হয়ে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। ফেরিগুলো দীর্ঘ সময় যাত্রী ও যানবাহন না পেয়ে অর্ধেক জায়গা ফাঁকা রেখে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে দেখা যায়।
কুষ্টিয়া থেকে আসা সোহানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। গত কয়েক বছর ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করে আসা-যাওয়া করি। আগে দেখেছি ফেরিঘাটে এসে যানজটের করণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এ বছর তেমন কিছু হয়নি। ঘাটে এসেই ফেরিতে উঠে চলে যেতে পারছি।’
লালন পরিবহনের যাত্রী ফিরোজ মাহামুদ বলেন, আগে ঈদে ফেরিতে ওঠার জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র। ফেরি গাড়ির জন্য বসে থাকছে।
আরেক যাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছি। পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে এই নৌপথে কোনো ভোগান্তি নেই। আমরা খুবই খুশি সড়ক ও ফেরিঘাটে ভোগান্তি না থাকায়।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। তবে ঘাট এলাকায় এখনো যানবাহন ও যাত্রীর চাপ নেই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে। তবে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না ফেরিঘাটে এসে। এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলে ২০টি ফেরি চলাচল করছে।’

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করলেও ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল কম।
আজ মঙ্গলবার সকালে ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, যানজট না থাকায় নেই ভোগান্তিও। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রী ও যানবাহন নির্বিঘ্নে ফেরি পার হয়ে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। ফেরিগুলো দীর্ঘ সময় যাত্রী ও যানবাহন না পেয়ে অর্ধেক জায়গা ফাঁকা রেখে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে দেখা যায়।
কুষ্টিয়া থেকে আসা সোহানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। গত কয়েক বছর ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করে আসা-যাওয়া করি। আগে দেখেছি ফেরিঘাটে এসে যানজটের করণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এ বছর তেমন কিছু হয়নি। ঘাটে এসেই ফেরিতে উঠে চলে যেতে পারছি।’
লালন পরিবহনের যাত্রী ফিরোজ মাহামুদ বলেন, আগে ঈদে ফেরিতে ওঠার জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র। ফেরি গাড়ির জন্য বসে থাকছে।
আরেক যাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছি। পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে এই নৌপথে কোনো ভোগান্তি নেই। আমরা খুবই খুশি সড়ক ও ফেরিঘাটে ভোগান্তি না থাকায়।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। তবে ঘাট এলাকায় এখনো যানবাহন ও যাত্রীর চাপ নেই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে। তবে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না ফেরিঘাটে এসে। এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলে ২০টি ফেরি চলাচল করছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে