মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নে এক যুবককে প্রেমিক দাবি করে বিয়ে করতে আসমা আক্তার নামের এক তরুণী নিজের মায়ের সঙ্গে অনশন শুরু করেছেন। আজ শনিবারের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো সমাধান না হলে তাঁরা আইনের আশ্রয় নেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। এদিকে মা ও মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত যুবক তাজনুর ও তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় মা ও মেয়ে এই অনশন শুরু করেন। আজ শনিবার বেলা ১১টায় ওই তরুণীর মা ছাকিরুন বেগম মুঠোফোন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ওই ছেলের পরিবারের কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। স্থানীয় মাতবররা আমাদের চাপ দিচ্ছেন, যেন আমরা চলে যাই। বিয়ে না দিলে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নেব। আজ ঢাকায় চলে যাব। আগামীতে ছুটি নিয়ে আবার আসব। বিয়ে না দিলে আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আমাদের আর পথ নেই।’
তরুণীর দাবি, মঘী ইউনিয়নের আড়োকান্দি গ্রামের যুবক তাজনুরের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। এর প্রায় এক সপ্তাহ আগে বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিল ১৭ বছরের তরুণী। তবে সে সময় তরুণী একাই বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে ১২ ঘণ্টা অনশন করে।
শুক্রবার রাত ১১টায় মঘীর ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিবেশীরা তাজনুরের বাড়ি ঘিরে ভিড় করে আছে। বিয়ের দাবি করা ওই তরুণী তার মা ছাকিরুর বেগমকে সাথে নিয়ে প্রেমিক তাজনুরের বাড়ির উঠোনে চেয়ারে বসে আছে। তাদের ঘিরে রয়েছে ওই এলাকার স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তরুণীর মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকায় গার্মেন্টসে সামান্য সেলাইয়ের কাজ করি। মেয়ের বাবার সাথে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় অনেক আগে। তার বাবা অন্য জায়গায় বিয়ে করেছে। তারপর থেকে আমিই ওর বাবা ও মা। আমার সাথেই মেয়ে থাকে। ওর বাবার বাড়ি এই মঘী ইউনিয়নের পাশের রাঘবদাউড় ইউনিয়নে। এখন এই ছেলের সাথে তার সম্পর্ক হয়েছে বলে আমি জানি। ছেলে আমার মেয়ের সাথে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে করেছে। এখন আমার মেয়ে তাকে বিয়ে করতে বলেছে, কিন্তু ছেলে রাজি থাকলেও তার পরিবার রাজি না।’
ওই তরুণীর মা আরও বলেন, ‘এর আগে আমার মেয়ে একা এসেছিল বিয়ের দাবিতে। তখন তারা আমার মেয়েকে বলেছে তার মাকে সাথে আনলে তারা কথা বলবে। তাই আমি দুই দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। ওই ছেলের ঘরের বারান্দায় বসে আছি অথচ তারা সবাই বাড়ি থেকে পলাতক। কেউ কথা বলছে না। মেয়ের বিয়ে না দিয়ে আমিও এখান থেকে যাব না।’
বিয়ের দাবিতে বসা ওই তরুণী বলছে, ‘ছেলে রাজি আছে বিয়ে করতে। তার সাথে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তার বাবা-মা কেউ রাজি না। তারা আমাকে পছন্দ করে না। না করুক, আমার দরকার ছেলেকে। তারা বিয়ে দিলেই তো সব ঠিক হয়ে যায়। বিয়ে না দিলে এবার আমার মাও এখান থেকে যাবে না।’
অভিযুক্ত যুবকের চাচা স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক বাবুল হোসেন জানান, ‘ছেলের পরিবার গ্রামেই আছে। তারা লোকলজ্জার জন্য আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে। তাই আমি মা ও মেয়ের সাথে কথা বলতেছি। এখানে ছেলের বাড়িতে মেয়েসহ তার মা চলে এসেছে। কিন্তু এভাবে বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি তারা যেন এখান থেকে চলে যায়। ছেলের বাবা-মা এ বিয়েতে রাজি না।’
যুবকের চাচা বাবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা বিয়ের দাবিতে এলেও ছেলের চাচাতো এক ভাই সাগরকে ঢাকায় আটকে রেখেছে। বিয়ে না দিলে সাগরকে তারা ছাড়বে না বলে জানিয়েছে। আমরা এবার খুব বিপদে পড়ে গেছি।’
অভিযুক্ত যুবকের চাচাতো ভাই সাগরকে আটকে রাখার বিষয়টি মেয়ে ও তার মা স্বীকার করে বলেন, ‘সেই সাগর ছেলেটা সবকিছুর জন্য দায়ী। সে সব জানে। আমার মেয়ের সাথে তার চাচাতো ভাই তাজনুরের প্রেমের সম্পর্ক কতটা, তা সেই সাগর জানে। আমাদের প্রমাণ সে। এ জন্য তাকে ঢাকায় নিরাপদে আটকে রেখেছি। এখানে বিয়ে হলে তাকেও ছেড়ে দেব।’
এ বিষয়ে মঘী ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তোরাব আলী বলেন, ‘আমি শুনেছিলাম এ রকম একটা ঘটনা আমার এলাকায় ঘটেছে। একটা মেয়ে নাকি বিয়ের দাবিতে এলাকায় তার মাসহ এসেছে। আমাকে যদি ডাকে, তাহলে আমি সেখানে যাব।’

মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নে এক যুবককে প্রেমিক দাবি করে বিয়ে করতে আসমা আক্তার নামের এক তরুণী নিজের মায়ের সঙ্গে অনশন শুরু করেছেন। আজ শনিবারের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো সমাধান না হলে তাঁরা আইনের আশ্রয় নেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। এদিকে মা ও মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত যুবক তাজনুর ও তাঁর পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় মা ও মেয়ে এই অনশন শুরু করেন। আজ শনিবার বেলা ১১টায় ওই তরুণীর মা ছাকিরুন বেগম মুঠোফোন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ওই ছেলের পরিবারের কেউ আমাদের কিছু জানায়নি। স্থানীয় মাতবররা আমাদের চাপ দিচ্ছেন, যেন আমরা চলে যাই। বিয়ে না দিলে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নেব। আজ ঢাকায় চলে যাব। আগামীতে ছুটি নিয়ে আবার আসব। বিয়ে না দিলে আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আমাদের আর পথ নেই।’
তরুণীর দাবি, মঘী ইউনিয়নের আড়োকান্দি গ্রামের যুবক তাজনুরের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। এর প্রায় এক সপ্তাহ আগে বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছিল ১৭ বছরের তরুণী। তবে সে সময় তরুণী একাই বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে ১২ ঘণ্টা অনশন করে।
শুক্রবার রাত ১১টায় মঘীর ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিবেশীরা তাজনুরের বাড়ি ঘিরে ভিড় করে আছে। বিয়ের দাবি করা ওই তরুণী তার মা ছাকিরুর বেগমকে সাথে নিয়ে প্রেমিক তাজনুরের বাড়ির উঠোনে চেয়ারে বসে আছে। তাদের ঘিরে রয়েছে ওই এলাকার স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তরুণীর মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ঢাকায় গার্মেন্টসে সামান্য সেলাইয়ের কাজ করি। মেয়ের বাবার সাথে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় অনেক আগে। তার বাবা অন্য জায়গায় বিয়ে করেছে। তারপর থেকে আমিই ওর বাবা ও মা। আমার সাথেই মেয়ে থাকে। ওর বাবার বাড়ি এই মঘী ইউনিয়নের পাশের রাঘবদাউড় ইউনিয়নে। এখন এই ছেলের সাথে তার সম্পর্ক হয়েছে বলে আমি জানি। ছেলে আমার মেয়ের সাথে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে করেছে। এখন আমার মেয়ে তাকে বিয়ে করতে বলেছে, কিন্তু ছেলে রাজি থাকলেও তার পরিবার রাজি না।’
ওই তরুণীর মা আরও বলেন, ‘এর আগে আমার মেয়ে একা এসেছিল বিয়ের দাবিতে। তখন তারা আমার মেয়েকে বলেছে তার মাকে সাথে আনলে তারা কথা বলবে। তাই আমি দুই দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। ওই ছেলের ঘরের বারান্দায় বসে আছি অথচ তারা সবাই বাড়ি থেকে পলাতক। কেউ কথা বলছে না। মেয়ের বিয়ে না দিয়ে আমিও এখান থেকে যাব না।’
বিয়ের দাবিতে বসা ওই তরুণী বলছে, ‘ছেলে রাজি আছে বিয়ে করতে। তার সাথে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তার বাবা-মা কেউ রাজি না। তারা আমাকে পছন্দ করে না। না করুক, আমার দরকার ছেলেকে। তারা বিয়ে দিলেই তো সব ঠিক হয়ে যায়। বিয়ে না দিলে এবার আমার মাও এখান থেকে যাবে না।’
অভিযুক্ত যুবকের চাচা স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক বাবুল হোসেন জানান, ‘ছেলের পরিবার গ্রামেই আছে। তারা লোকলজ্জার জন্য আপাতত গা ঢাকা দিয়েছে। তাই আমি মা ও মেয়ের সাথে কথা বলতেছি। এখানে ছেলের বাড়িতে মেয়েসহ তার মা চলে এসেছে। কিন্তু এভাবে বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি তারা যেন এখান থেকে চলে যায়। ছেলের বাবা-মা এ বিয়েতে রাজি না।’
যুবকের চাচা বাবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা বিয়ের দাবিতে এলেও ছেলের চাচাতো এক ভাই সাগরকে ঢাকায় আটকে রেখেছে। বিয়ে না দিলে সাগরকে তারা ছাড়বে না বলে জানিয়েছে। আমরা এবার খুব বিপদে পড়ে গেছি।’
অভিযুক্ত যুবকের চাচাতো ভাই সাগরকে আটকে রাখার বিষয়টি মেয়ে ও তার মা স্বীকার করে বলেন, ‘সেই সাগর ছেলেটা সবকিছুর জন্য দায়ী। সে সব জানে। আমার মেয়ের সাথে তার চাচাতো ভাই তাজনুরের প্রেমের সম্পর্ক কতটা, তা সেই সাগর জানে। আমাদের প্রমাণ সে। এ জন্য তাকে ঢাকায় নিরাপদে আটকে রেখেছি। এখানে বিয়ে হলে তাকেও ছেড়ে দেব।’
এ বিষয়ে মঘী ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তোরাব আলী বলেন, ‘আমি শুনেছিলাম এ রকম একটা ঘটনা আমার এলাকায় ঘটেছে। একটা মেয়ে নাকি বিয়ের দাবিতে এলাকায় তার মাসহ এসেছে। আমাকে যদি ডাকে, তাহলে আমি সেখানে যাব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে