মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

বেতনের জন্য ‘ঘুষ’ দিতে হচ্ছে নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের। আর এসব টাকা তুলছেন আরেক নতুন শিক্ষক। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপের স্ক্রিনশটে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এজি অফিসে দেওয়ার জন্য সদ্য যোগদান করা শিক্ষকদের থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। ওমর ইবনে হাবিব নামের এক শিক্ষক একটি বিকাশ নম্বরে টাকাগুলো নিচ্ছেন।
ওই মেসেঞ্জার গ্রুপের সদস্য ও উপজেলার মশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফখরুজ্জামান বলেন, ‘গ্রুপের কথাগুলো সত্য। আমরা বেতন পেয়েছি। যারা পায়নি তাদের বেতন ছাড়ানোর জন্য জেলা এজি (হিসাব মহানিয়ন্ত্রক) অফিসেও টাকা দেওয়া লাগবে, গ্রুপে এভাবেই মেনশন করা আছে। আমার ব্যাংকে চাকরি হয়েছে। এ জন্য এসব নিয়ে আর ভাবছি না।’
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদ্য যোগদান করা ৮০ জন সহকারী শিক্ষকের মধ্যে তিনজন সহকারী শিক্ষক এখনো বেতন পাননি। কিছু জটিলতার কারণে ১০ জন শিক্ষক গত রোববার বিলম্বে বেতন পেয়েছেন। দুজন চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। একজন এখনো যোগদান করেননি। বাকিরা ঈদুল ফিতরের আগেই বেতন পেয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘টাকা না দিলে লিস্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চলে যাবে, বেতন আটকে যাবে, পরে পারসোনালি এজি অফিসে গিয়ে বেতন-বিল পাস করাতে হবে—এমন ভয় দেখানে হচ্ছে আমাদের।’
এ বিষয়ে শিক্ষক ওমর ইবনে হাবিবের সঙ্গে কথা বললে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘টাকাগুলো আমরা রিইউনিয়ন করার জন্য নিচ্ছি। অনেকে রিইউনিয়নের জন্য টাকা দেবে না, তাই এই কৌশল অবলম্বন করে টাকা নিয়েছি।’
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমার নামে টাকা তোলার বিষয়ে জানা নেই। নতুন নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষক ওমর ইবনে হাবিবকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।’

বেতনের জন্য ‘ঘুষ’ দিতে হচ্ছে নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের। আর এসব টাকা তুলছেন আরেক নতুন শিক্ষক। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপের স্ক্রিনশটে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এজি অফিসে দেওয়ার জন্য সদ্য যোগদান করা শিক্ষকদের থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। ওমর ইবনে হাবিব নামের এক শিক্ষক একটি বিকাশ নম্বরে টাকাগুলো নিচ্ছেন।
ওই মেসেঞ্জার গ্রুপের সদস্য ও উপজেলার মশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফখরুজ্জামান বলেন, ‘গ্রুপের কথাগুলো সত্য। আমরা বেতন পেয়েছি। যারা পায়নি তাদের বেতন ছাড়ানোর জন্য জেলা এজি (হিসাব মহানিয়ন্ত্রক) অফিসেও টাকা দেওয়া লাগবে, গ্রুপে এভাবেই মেনশন করা আছে। আমার ব্যাংকে চাকরি হয়েছে। এ জন্য এসব নিয়ে আর ভাবছি না।’
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদ্য যোগদান করা ৮০ জন সহকারী শিক্ষকের মধ্যে তিনজন সহকারী শিক্ষক এখনো বেতন পাননি। কিছু জটিলতার কারণে ১০ জন শিক্ষক গত রোববার বিলম্বে বেতন পেয়েছেন। দুজন চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। একজন এখনো যোগদান করেননি। বাকিরা ঈদুল ফিতরের আগেই বেতন পেয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘টাকা না দিলে লিস্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চলে যাবে, বেতন আটকে যাবে, পরে পারসোনালি এজি অফিসে গিয়ে বেতন-বিল পাস করাতে হবে—এমন ভয় দেখানে হচ্ছে আমাদের।’
এ বিষয়ে শিক্ষক ওমর ইবনে হাবিবের সঙ্গে কথা বললে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘টাকাগুলো আমরা রিইউনিয়ন করার জন্য নিচ্ছি। অনেকে রিইউনিয়নের জন্য টাকা দেবে না, তাই এই কৌশল অবলম্বন করে টাকা নিয়েছি।’
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমার নামে টাকা তোলার বিষয়ে জানা নেই। নতুন নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষক ওমর ইবনে হাবিবকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে