মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলা মৃণ্ময় তেওয়ারী বাপ্পা (২৮) নামের ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এক লিখিত বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার নিজ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জান্নাতুল বাদশা বাদী হয়ে গত শনিবার সকালে মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয় ১ হাজার ৪০০ জনকে। আসামিদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির ১০১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকিদের অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার রাতেই উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর বাপ্পাকে ছেড়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন ওসি। কিন্তু গতকাল রোববার সকালে তাঁকে মাগুরার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠালে ছাত্রলীগের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ফেসবুক লাইভে এসে ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
এ বিষয় বাপ্পার চাচা উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কানু তেওয়ারী বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আমি থানায় গেলে বাপ্পাকে ছেড়ে দেবেন বলে ওসি আশ্বস্ত করেন। উল্টো তাকে জেলে দিয়েছে।’
উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘বাপ্পা ষড়যন্ত্রের স্বীকার। তাঁকে ফাঁসাতে ইচ্ছা করে এই মামলার আসামি করা হয়েছে। এতে আমার সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র দ্রুত আমরা প্রতিহত করব।’
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান-উল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মামলার এজাহারে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছে। তবে সে ছাত্রলীগ কর্মী কি না আমার জানা নেই। নেতাদের সুপারিশে জামিন যোগ্য ধারায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’

মাগুরার মহম্মদপুরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলা মৃণ্ময় তেওয়ারী বাপ্পা (২৮) নামের ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এক লিখিত বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার নিজ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে নেতা-কর্মীরা মিছিল বের করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জান্নাতুল বাদশা বাদী হয়ে গত শনিবার সকালে মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয় ১ হাজার ৪০০ জনকে। আসামিদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির ১০১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকিদের অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার রাতেই উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর বাপ্পাকে ছেড়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন ওসি। কিন্তু গতকাল রোববার সকালে তাঁকে মাগুরার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠালে ছাত্রলীগের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ফেসবুক লাইভে এসে ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
এ বিষয় বাপ্পার চাচা উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি কানু তেওয়ারী বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আমি থানায় গেলে বাপ্পাকে ছেড়ে দেবেন বলে ওসি আশ্বস্ত করেন। উল্টো তাকে জেলে দিয়েছে।’
উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘বাপ্পা ষড়যন্ত্রের স্বীকার। তাঁকে ফাঁসাতে ইচ্ছা করে এই মামলার আসামি করা হয়েছে। এতে আমার সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র দ্রুত আমরা প্রতিহত করব।’
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান-উল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মামলার এজাহারে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছে। তবে সে ছাত্রলীগ কর্মী কি না আমার জানা নেই। নেতাদের সুপারিশে জামিন যোগ্য ধারায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
১৯ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে