মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরের কানুটিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কের কানুটিয়া তানহা ব্রিকসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
নিহতেরা হলেন অটোরিকশাচালক মো. রাব্বি (২২) ও যাত্রী জসিম (২৫)। তাঁরা দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাব্বি উপজেলার আওনাড়া গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে এবং জসিম একই উপজেলার ভাবনপাড়া গ্রামের রশীদ মণ্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস রোববার দুপুরে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কের কানুটিয়া তানহা ব্রিকসের সামনে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি অটোকে চাপা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই অটোচালক রাব্বি ও অটোযাত্রী জসিম বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। খবর পেয়ে মাগুরা ও মহম্মদপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালান। তাঁরা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাব্বির চাচা মনিরুল ইসলাম বলেন, বেলা ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে মাগুরার উদ্দেশে বের হন রাব্বি। কানুটিয়া বাজার পার হয়ে তানহা ব্রিকস ভাটার সামনে আসতেই একটি বাসের মুখোমুখি ধাক্কায় পার্শ্ববর্তী ডান পাশের শুকানো গর্তে পড়ে যায়। এতে অটোচালক রাব্বি ও অটোযাত্রী জসিম ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাব্বির ছয় মাসের এক শিশুকন্যা রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর থেকে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে জেলা ও উপজেলায় যাতায়াতকারী মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মাসুদ সরদার বলেন, ‘আমরা মুমূর্ষু অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠাই। তাদের মধ্যে রাব্বি ও জসিম নামের দুই ব্যক্তিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্যরা চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। তবে বেবী নাসরীন ও নির্মল নামের দুজন যাত্রীর অবস্থা বেশ গুরুতর।’
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বাসটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

মাগুরার মহম্মদপুরের কানুটিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কের কানুটিয়া তানহা ব্রিকসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
নিহতেরা হলেন অটোরিকশাচালক মো. রাব্বি (২২) ও যাত্রী জসিম (২৫)। তাঁরা দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাব্বি উপজেলার আওনাড়া গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে এবং জসিম একই উপজেলার ভাবনপাড়া গ্রামের রশীদ মণ্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস রোববার দুপুরে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কের কানুটিয়া তানহা ব্রিকসের সামনে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি অটোকে চাপা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই অটোচালক রাব্বি ও অটোযাত্রী জসিম বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। খবর পেয়ে মাগুরা ও মহম্মদপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালান। তাঁরা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাব্বির চাচা মনিরুল ইসলাম বলেন, বেলা ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে মাগুরার উদ্দেশে বের হন রাব্বি। কানুটিয়া বাজার পার হয়ে তানহা ব্রিকস ভাটার সামনে আসতেই একটি বাসের মুখোমুখি ধাক্কায় পার্শ্ববর্তী ডান পাশের শুকানো গর্তে পড়ে যায়। এতে অটোচালক রাব্বি ও অটোযাত্রী জসিম ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাব্বির ছয় মাসের এক শিশুকন্যা রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর থেকে মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে জেলা ও উপজেলায় যাতায়াতকারী মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মাসুদ সরদার বলেন, ‘আমরা মুমূর্ষু অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠাই। তাদের মধ্যে রাব্বি ও জসিম নামের দুই ব্যক্তিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অন্যরা চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। তবে বেবী নাসরীন ও নির্মল নামের দুজন যাত্রীর অবস্থা বেশ গুরুতর।’
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বাসটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক রয়েছেন। তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে