
মাদারীপুরের শিবচরে রেনু বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের কাঁচিকাটা এলাকায় নিজ ঘর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রেনু বেগম কাঁচিকাটা এলাকার মৃত সাদেক হাওলাদারের স্ত্রী।
জানা গেছে, বিধবা রেনু বেগম অনেক দিন ধরে বাড়িতে একা থাকেন। চাকরি ও বিয়ের সূত্রে ছেলেমেয়েরা অন্যত্র থাকেন। আজ সকালে বৃদ্ধার এক মেয়ে একাধিকবার ফোন দিলেও সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের বিষয়টা জানান। তখন প্রতিবেশীরা এসে দেখেন, দরজা তালাবদ্ধ। জানালা দিয়ে বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় রেনু বেগমকে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরে পুলিশ এসে রেনু বেগমের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত ব্যক্তির জামাতা আমির হোসেন বলেন, ‘রাতেও আমার স্ত্রী শাশুড়ির সঙ্গে কথা বলেছেন। অথচ সকালে আমরা এই খবর পাই। রাতে কখন এ ঘটনা ঘটেছে, তা জানা নাই। কে বা করা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা বুঝতে পারছি না।’
স্থানীয়দের ধারণা চুরি করতে এসে চোর এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। কেননা, ঘরের মধ্যে মালপত্র এলোমেলো ছিল।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
৪ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
৫ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৫ ঘণ্টা আগে